ঢাকা, শনিবার, ৮ আশ্বিন ১৪২৪, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

ঈদের ছুটি স্মরণীয় হয়ে থাকুক শ্রীমঙ্গলে

ফেরদৌস জামান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৯-০৩ ১:৫২:১৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৯-০৩ ৫:৩৬:১৯ পিএম
মাধবকুণ্ডে পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে

ফেরদৌস জামান : শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং বিশ্ব পর্যটন কেন্দ্রগুলোর তালিকায় শ্রীমঙ্গলের নাম উপরের দিকেই থাকবে। কথাটি হয়ত অনেকে বিশ্বাস করতে চাইবেন না। কিন্ত ‍একবার যারা শ্রীমঙ্গল যাবেন তারা এই ভ্রমণের কথা ভুলতে পারবেন না। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ঘুরেফিরে সবুজের স্নিগ্ধ পরশ নিতে চলে আসে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে। চা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সুদূর ইংল্যান্ড থেকেও এক সময় আসত সাহেবরা। দুই চোখে সবুজের স্পর্শ নিতে মন ভরে প্রকৃতির মোহনীয় রূপ দেখতে শ্রীমঙ্গলের মতো জায়গা আর নেই এ দেশে।

দেশের ভ্রমণপিপাসুরাও আজ একথা জেনে গেছে। দুই-চার দিনের ছুটি মিলে গেলেই প্রিয়জন অথবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছুটে যায় অনেকে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে। বিদেশি পর্যটকরা বাংলাদেশ ভ্রমণে এলে কক্সবাজার ও সুন্দরবনের পর যে জায়গাটিকে সর্বোত্তম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে তা হলো শ্রীমঙ্গল। রাজধানী  ঢাকার কাছাকাছি এত মনোমুগ্ধকর পর্যটন কেন্দ্রের সংখ্যাও একেবারে হাতে গোনা। বিশ্ব বাজারে উৎকৃষ্ট মানের চায়ের একটি অংশ বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গল থেকে রপ্তানি হয়ে থাকে। এদেশে চায়ের রাজধানী বলতে তাই শ্রীমঙ্গলকেই বুঝানো হয়। দেশের প্রায় ৯০ ভাগ চা বাগানের অবস্থান এখানে। উঁচুনিচু টিলা ও পাহাড়ময় শ্রীমঙ্গলে মাইলের পর মাইলজুড়ে শুধু চা বাগাল। চা বাগান ছাড়াও এখানে রয়েছে ঘুরে দেখার অনেক কিছু। এটি এমন এক জায়গা একবার গেলে মন বারবার যেতে চায়।

 


লাউয়াছড়া বনের ভেতর দিয়ে ট্রেনের চলাচল

প্রায় সমস্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলাজুড়েই কেবল চা বাগান। আবহাওয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানে এত বেশি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চা বাগানের রয়েছে এক স্বতন্ত্র সৌন্দর্য। দূর থেকে দেখে মনে হবে সুদীর্ঘ এক সবুজ গালিচা বিছিয়ে রাখা। চলতি পথের দেই পাশের চা বাগান যেন কখনও ফুরাবে না। সবখানে বাগান আর সবুজের গভীর মিতালী। শহর থেকে দশ-পনের টাকার রিকশা ভাড়ায় যে কোনো দিকে গেলেই দেখা মেলে চা বাগানের। শ্রীমঙ্গল থেকে কমলগঞ্জ পর্যন্ত লম্বা জার্নিতে পথের দুপাশ থেকে বোধহয় পাঁচ মিনিটের জন্যও চা বাগান ফুরাতে চায় না। দেড় থেকে দুই ঘণ্টার এই পথ পেরিয়ে চম্পারাই নামক এলাকার দিকে যেতে পারলে বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যে মন চাইবে সেখানেই আজীবনের বসত গাড়তে।

রেইন ফরেস্ট লাউয়াছড়ার নাম জানা নেই এমন ভ্রমণপিপাসুর সংখ্যা নেই বললেই চলে। প্রকৃতির অপার মমতায় গড়া লাউয়াছড়ায় রয়েছে বহু পুরনো বৃক্ষরাজি। পরবর্তীতে সরকারের উদ্যোগে পরিকল্পিত বনায়ন এবং পূর্বের বন ও বনজ সম্পদকে রক্ষা করে গড়ে তোলা হয়েছে বিশেষ এই পর্যটন কেন্দ্র। অপূর্ব সুন্দর এই বন শ্রীমঙ্গল শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। পাহাড়ের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবুজ অরণ্যে আচ্ছাদিত পিচ ঢালা কালো সড়কটি অনায়াসেই পৌঁছে দেয় বনের প্রবেশ মুখে। পর্যটকদের সুবিধার্থে বনের ভেতর রয়েছে একাধিক ট্রেইল, যেগুলি ধরে ঘুরে দেখা যায় বনের অপার সৌন্দর্য। বিশ টাকা প্রবেশ মূল্য পরিশোধ করে প্রবেশ করতে হয় ভেতরে। ঘুরে দেখার সুবিধার্থে অপেক্ষায় থাকে বেশ কিছু পেশাদার ট্যূর গাইড। ট্রেইল ভেদে তিন থেকে পাঁচশ টাকায় একজন গাইড ভাড়া করা যায়। দীর্ঘদেহী বৃক্ষের মাঝ দিয়ে দুই মিনিট এগুলেই পাখির কলরবে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এখানে প্রায় আড়াইশ প্রজাতীর পাখিসহ বিভিন্ন প্রজাতীর সরিসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে। চশমা বানর, হুনুমান, হরিণ, বন মোড়গ, কাঠবিড়ালী, অজগর, গিবন (দীর্ঘদেহী বানর)সহ রয়েছে নানান প্রজাতির প্রাণী। চশমা বানর এখানকার অন্যতম প্রাণী। মূল বনে প্রবেশের মুখেই দেখা যায়, গাছের ডালে ডালে বসে আপন মনে কঁচি পাতা ছিড়ে খাওয়ায় ব্যস্ত তারা।

 

ভাগ্য ভালো হলে লাউয়াছড়ায় চশমা বানরের দেখা মিলবে

লাউয়াছড়ার অন্যতম সৌন্দর্য হলো ঢাকা-সিলেট রেল পথ। বনের দীর্ঘ অংশের মাঝ দিয়ে এগিয়ে গেছে এই রেল পথ। নিরিবিলি পথটি ধরে ইচ্ছে মতো খানিকক্ষণ হাঁটতে ভালো লাগবে। তবে ট্রেন অসা-যাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখা জরুরি। বনের একটি অংশে টিলাজুড়ে কেবল পানের গাছ। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মাটি থেকে অন্য গাছ বেয়ে উঠে গেছে উপরের দিকে। এই পানপল্লীর মাঝে জাতিসত্তা খাসিয়াদের বসবাস। মোটা মোটা বাঁশ কেটে বানানো সিঁড়ি আর পথ। এক মাথা দিয়ে প্রবেশ করে অনায়াসেই বেরিয়ে যাওয়া যায় বসতির অন্য প্রান্ত দিয়ে। চাইলে তাদের বাড়িতে দুদণ্ড বসে খাসিয়াদের পানের স্বাদটাও নেয়া যেতে পারে। লাউয়াছড়া বন ঘুরে দেখার জন্য এক দিনই যথেষ্ট।

সমতলের নদী-নালাও যখন শুকিয়ে যায় তখন অজস্র পানির সম্ভার নিয়ে ঠিকই টিকে থাকে মাধবপুর লেক। পাহাড়ের উপর একটি জলের সরোবর, নাম মাধবপুর লেক। এর ইতিহাস কারও জানা নেই। কেউ বলতে পারে না কোন কালে কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল এই লেকের। সমতল থেকে বেশ উঁচুতে পাহাড়ের উপর লেকটির অবস্থান। লেকের নীল জল আর তার আশপাশের টিলা বিস্তৃত প্রাকৃতিক পরিবেশ খুব সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। লেকের জলে ফুটে থাকে পদ্ম ফুল আর চারপাশ থেকে লকলকে চিকন ডগার লতাগুলো ছড়িয়ে রাখে তাদের সবুজ শাখা। এমন সৌন্দর্যের সাথে সময় করে লেকের চারপাশ প্রদক্ষিণ করতে পারলে নিঃসন্দেহে তা হয়ে ওঠে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। বলা যায় পর্যটকদের কেউই এই লেক দর্শনের সুযোগ হাত ছাড়া করতে চায় না। তাই হয়তো বা অনেকেই শ্রীমঙ্গল ভ্রমণ তালিকার দ্বিতীয় আকর্ষণ হিসেবে এই লেককে বেছে নেয়।

 

মাইলের পর মাইল শুধু চা বাগান

এখানে দেশের চা বাগানের প্রায় নব্বই শতাংশ অবস্থিত। আর বাগানের শ্রমিক বলতেই ভিন্ন জাতিসত্তা। সুতরাং তাদের বসতিও রয়েছে অনেক। তারা প্রায় সকলেই মনিপুরী এবং খাসিয়া জাতিসত্তার অধিকারী। সেই ব্রিটিশ আমলে যখন চা চাষের সূত্রপাত, তখন থেকে আজ পর্যন্ত শ্রমিক বলতে তারাই। যুগে যুগে ঘটেছে তাদের বংশ বিস্তার। বর্তমানে তারা স্থানীয় জনসংখ্যার মোটামুটি একটি অংশ হয়ে উঠেছে। সে সাথে স্থানীয় সংস্কৃতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন অনুষঙ্গ। আপন সংস্কৃতিতে বৈচিত্রময় তাদের জীবন। অনাদীকালের সংস্কৃতি ধরে রেখেছে এখনও, যা আমাদের নিকট দেখার মতো একটি বিষয় বটে। পর্যটক চাইলেই ঘুর দেখতে পারে তাদের পল্লী এবং জীবনাচার। পূজা-পার্বণ লেগেই থাকে, তবে নভেম্বর মাসের পূর্ণিমা ধরে ঘুরতে গেলে তাদের পূজার উৎসব দেখার সুযোগ ঘটতে পারে। এই সময়টাতে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অনুরাগীরা পাড়ি জমায় শ্রীমঙ্গল।

ব্রিটিশ আমলে নির্মিত টি-রিসোর্টও ঘুরে দেখার মতো একটি জায়গা। শ্রীমঙ্গলে থাকার জায়গা হিসেবে টি রিসার্স ইনস্টিটিউটের ‘টি রিসোর্ট’ অত্যন্ত চমৎকার একটি জায়গা। টিলার উপর বিশাল জায়গা নিয়ে নির্মিত রিসোর্টে রয়েছে বেশ কয়েকটি কটেজ। সম্প্রতি পুরনো কটেজগুলির সাথে যুক্ত হয়েছে আরও কিছু কটেজ। বৃক্ষের সুশীতল ছায়া তলে অনেক দূরে দূরে একেকটি কটেজ। বড় রেস্তোরাঁটির সাথে রয়েছে সেই পুরনো আমলের সুইমিংপুল। পাশেই নেট দিয়ে ঘেরা জায়গার মধ্যে ঘুরে বেড়ায় চিত্রল হরিণ। কেবলমাত্র রিসোর্ট সীমানার মাঝে অবস্থান করে ও আশপাশে চা বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করেই কাটিয়ে দেয়া সম্ভব দুই-এক দিন বা তারও অধিক সময়। শ্রীমঙ্গলে পাঁচ তারকা মানের হোটেল থাকার পরও অনেক সামর্থবান পর্যটক থাকার জন্য টি রিসোর্টকেই অধিক পছন্দ করে।

দেশের অন্যান্য চিড়িয়াখানার মতো এটি বড় কিছু নয়, এটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা। শীতেশ নামক স্থানীয় এক ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন এই মিনি চিড়িয়াখানা। ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে ওঠা দেশের একমাত্র চিড়িয়াখানা এটি। দিনে দিনে তার সংগ্রহে যুক্ত হয়েছে অনেক প্রজাতীর পশুপাখি। শকুন, ভাল্লুক, সাদা বাঘ, মুখপোড়া বানর, সজারু, হরিণ, উল্লুক, ধনেশ পাখি ইত্যাদি। একাধিক প্রজাতীর কাঠবিড়ালীও রয়েছে। ভেতরে প্রবেশ করতে দশ টাকার টিকিট কাটতে হয়। শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন থেকে চিড়িয়াখানার দূরত্ব মাত্র এক কি.মি.। চাইলে পায়ে হেঁটেই যাওয়া যায়। বিকল্প হিসেবে আছে রিকশা। এছাড়াও নিকটেই অবস্থিত চিড়িয়াখানার উদ্যোক্তা শীতেশ বাবুর বাড়ির একটি অংশজুড়ে রয়েছে বিলুপ্তপ্রায় নানা জন্তু জানোয়ারের হাড়, ফসিল ইত্যাদির এক চমৎকার সংগ্রহশালা।  চাইলে দর্শনার্থীরা এই সংগ্রহশালাটিও ঘুরে দেখতে পারে।

 

মাধবকুণ্ড নয় এটি মাধবপুর লেক

দেশের প্রায় প্রতিটি জায়গাই কোন না কোন জিনিসের কারণে বিখ্যাত। অর্থাৎ প্রত্যেকটি জায়গাতেই উল্লেখ করার মতো কিছু না কিছু পাওয়া যাবেই। যেমন- কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, কুমিল্লার রসমালই, বগুড়ার দই ও মরিচ, তেমনি চায়ের পাশাপাশি শ্রীমঙ্গলের সাথে যুক্ত হয়েছে আর একটি নাম- সাত রং চা। এখানকার সাত রং চা বর্তমানে দেশে আলোচিত একটি আইটেম। চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল গিয়ে সাত রং চায়ের স্বাদ গ্রহণ না করলে সবই বিফলে যাবে মনে হতে পারে।  একই গ্লাসের মধ্যে স্তরে স্তরে সাজানো সাত রং এর চা। চা ভর্তি গ্লাসটি যখন সামনে পরিবেশিত হবে যে কেউ বিস্মিত হয়ে ভাবে- তরল পানীয় কিভাবে সাতটি স্তরে সাজানো সম্ভব! ব্যাপারটি বিস্ময়েরই বটে। অর্ডার করলে গোপন ঘরে প্রস্তুত করার পর পরিবেশন করা হয়।

এছাড়াও শ্রীমঙ্গল থেকে সহজেই যে দুটি পর্যটন আকর্ষণ দেখে আসা যা তা হলো- মাধবকুণ্ড ঝরনা ও হাকালুকি হাওড়। মাধবকুণ্ডে যেতে চাইলে মাইক্রোবাস অথবা সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করতে হবে। সেক্ষেত্রে যাতায়াতে সময় লেগে যাবে তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা। উল্লেখ্য, চলমান বর্ষায় মাঝকুণ্ড ঝরনার পাহাড় ধসের কারণে সেখানে যাওয়া আপাতত সুবিধাজনক নয়। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হলো হাকালুকি হাওড়। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে সেখানে বসে অতিথি পাখির মেলা। দেশের সীমানার বাইরে দূর থেকে লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি এখানে এসে টানা কয়েক মাসের জন্য অস্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে। পাখির কলরবে মুখর হয়ে যায় হাকালুকির প্রকৃতি। হাওড়ের বুকে জমে ওঠা পাখির কলতান উপভোগ করতে শত শত পর্যটক ভিড় জমায়। উপযুক্ত মৌসুমে গেলে নৌকা করে দিনভর ভেসে বেড়ানো যায়। প্রত্যক্ষ করা যায় নাম না জানা হরেক প্রজাতীর এই পাখি-স্বর্গের মায়াবি সৌন্দর্য। সেক্ষেত্রে এখানেও যাতায়াতে লেগে যায় প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা। তবে তিন থেকে চার দিনের পরিকল্পনা করে শ্রীমঙ্গল গেলে উল্লেখিত সমস্ত স্পটই দেখা সম্ভব। অধিকন্তু, টি-মিউজিয়ামও অবশ্য ঘুরে দেখার মতো একটি জায়গা।  

সহায়ক তথ্যাবলী : শ্রীমঙ্গলের পর্যটন আকর্ষণগুলোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ট্যুর এজেন্সির বছরজুড়েই অফার থাকে। তবে চাইলে নিজ ব্যবস্থাপনাতেই শ্রীমঙ্গল ও  আশপাশের এলাকা ভ্রমণ করা সম্ভব। ঢাকা থেকে ট্রেনে যাওয়া সব থেকে নিরাপদ ও আরামদায়ক। জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেস এবং সুরমা মেইল কমলাপুর থেকে সিলেট নিয়মিত যাতায়াত করে। সেক্ষেত্রে নামতে হবে শ্রীমঙ্গল স্টেশনে। এছাড়াও ঢাকার সায়দাবাদ, মহাখালী ও ফকিরা পুল থেকে সারাদিনই বাস সার্ভিস রয়েছে। শ্যামলী, সোহাগ পরিবহণ, এনা, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, সৌদিয়া এই রুটে অন্যতম। এছাড়াও ঢাকা থেকে বিমানেও যওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সিলেটে নামতে হবে। সেখান থেকে রিজার্ভ মাইক্রোবাস অথবা কারে অল্প সময়ের মধ্যেই শ্রীমঙ্গল পৌঁছা যায়। প্রতিদিনই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ প্রায় সমস্ত বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ঢাকা-সিলেট রুটে ফ্লাইট থাকে। থাকার জন্য রয়েছে টি রিসোর্ট- ০১৭১২-৯১৬০০১; হোটেল প্লাজা-৮৬২৬৫২৫, ০১৭১১-৩৩২৬০৫; রেইন ফরেস্ট রিসোর্ট-০১৯৩৮-৩০৫৭০৬; হোটেল গ্র্যান্ড সুলতান (পাঁচ তারকা)-০১৫৫২-৬৮৩৪৫৪
 

 



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭/তারা

Walton Laptop