হল দখল নিয়ে চবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
মো.জারিফ খন্দকার || রাইজিংবিডি.কম
চবি সংবাদদাতা : হল দখল নিয়ে চবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর শাটল ট্রেনের চালককে অপহরণ করা হয়েছে।
শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর শিক্ষক বাসের চাকার হাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। সেইসাথে রোববার শাটল ট্রেনের হুইস পাইপ কেটে চালককে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন বিজয় ও চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) এর মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।
চবি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো আব্দুর রহিম বলেন রাইজিংবিডিকে জানান, ‘সোহরাওয়ার্দী হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষের পরে কে বা কারা শিক্ষক বাসের চাকার হাওয়া ছেড়ে দেয়। ’
এছাড়াও সকাল সাড়ে ৭টার প্রথম শাটল ট্রেনের হুইস পাইপ কেটে চালককে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানান ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার তন্ময় চৌধুরী।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা নবগঠিত কমিটির সভাপতি রেজাউল হক রুবেল রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীরা ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে বারবার আমার ছেলেদেরকে আক্রমণ করে আসছে। গতকাল তারা সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে আমাদের ছেলেদের উপর হামলা চালায়। পরে আমাদের নেতৃবৃন্দ হলের মোড়ে অবস্থান নিলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়।’
অন্যদিকে বিজয় গ্রুপের নেতা ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এইচ এম তারেকুল ইসলাম ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের নির্দেশে এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তাকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগীতা করতে চেয়েছি। কিন্তু সবাইকে নিয়ে একসাথে রাজনীতি করার মন মানসিকতা তার নেই। তার মতো একজন অছাত্রের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের রাজনীতি কখনো সফল হবে না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি এবং দ্রুত তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
রাইজিংবিডি/চবি/১ সেপ্টেম্বর২০১৯/ মো.জারিফ খন্দকার/জেনিস
রাইজিংবিডি.কম