Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     রোববার   ১৩ জুন ২০২১ ||  জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪২৮ ||  ০২ জিলক্বদ ১৪৪২

রাঙামাটির পর্যটনখাতের মানুষের দুর্দিন 

রাঙামাটি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:১৯, ১৫ মে ২০২১   আপডেট: ১১:২৩, ১৫ মে ২০২১
রাঙামাটির পর্যটনখাতের মানুষের দুর্দিন 

করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটনখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। আয় না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটচ্ছেন তারা। 

গত ৩১ মার্চ থেকে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। জেলার পর্যটনকেন্দ্রের প্রায় দেড়শত নৌযান চালক-শ্রমিক রয়েছে। তারা লকডাউনের মধ্যে ত্রাণ সহায়তাও পায়নি। 

জেলা শহরের রিজার্ভ বাজার এলাকার হোটেল মতিমহলের স্বত্বাধিকারী শফিউল আজম বলেন, প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ থাকায় কয়েক লাখ টাকা লোকসান হয়েছে তার। পর্যটনের সঙ্গে জড়িত নৌপরিবহন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় জড়িতরা কাজ হারিয়েছেন। 

পর্যটন ঘাটের বোট চালক নাসির জানান, তারা পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। গত দেড় মাসে তাদের আয় নেই। সরকারের কাছ থেকে অনুদানও পাননি। ধার-দেনা করে তাদের দিন চলছে। 

রাঙামাটি শহরের তবলছড়ি এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী অনুপম ত্রিপুরা বলেন, প্রতিবছর ঈদে অনেক পর্যটক ঘুরতে আসে। এতে তাদের ভালোই বেচাকেনা হয়। কিন্তু গত তিন ঈদের মৌসুমে তাদের ব্যবসা নেই। 

শহরের বনরুপার হোটেল নীডস হিল ভিউয়ের ম্যানেজার রাসেল আহমেদ জানান, ঈদের মৌসুমে রাঙামাটিতে প্রচুর পর্যটক আসে। এতে তাদের কয়েক লাখ টাকার ব্যবসা হয়। গত এক বছর তাদের ক্ষতি হচ্ছে। স্টাফদের বেতন দিতে পারছেন না। বোট মালিক জাহাঙ্গীর বলেন, পর্যটকদের কাছ থেকে পাওয়া আয়ে তাদের সংসার চলে। পর্যটক নেই, তাদের আয়ও নেই। 

রাঙামাটি আবাসিক হোটেল বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন সেলিম বলেন, দেড় মাস রাঙামাটির সব হোটেল, মোটেল বন্ধ রয়েছে। এতে করে অনেক কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছুটি দিতে হয়েছে। 

রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, পর্যটন বন্ধ থাকায় জেলায় পর্যটনখাতে প্রতিমাসে ৩৫ লাখ টাকা লোকসান হচ্ছে। এ সমস্যা থেকে কখন যে মুক্তি মেলে, এখন সেই দিকে তাকিয়ে আছেন তারা।  
 

বিজয়/বকুল 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়