ঢাকা     বুধবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ ||  অগ্রহায়ণ ২৩ ১৪২৯ ||  ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪১৪

বড়শিতে ধরা পড়ল ৯২ কেজির বাঘাইড় মাছ

নীলফামারী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৩২, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২   আপডেট: ১৫:৫৭, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
বড়শিতে ধরা পড়ল ৯২ কেজির বাঘাইড় মাছ

জেলে জালাল উদ্দীনের বড়শিতে ধরা পরে এই বাঘাআইড় মাছটি

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদীতে জালাল উদ্দীন নামের এক এক জেলের বড়শিতে ধরা পড়েছে ৯২ কেজি ওজনের একটি বাঘাআইড় মাছ। পরে তিনি ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় খেলাসু চন্দ্র রায় নামের এক স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন।  

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার পাগলপাড়া গোরিং এলাকার তিস্তা নদীতে মাছটি ধরা পড়ে।

১ লাখ ১০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি হয়েছে

জালাল উদ্দীন বলেন, ‘ভোরে আমরা কয়েকজন জেলে তিস্তা নদীতে মাছ ধরতে যাই। অনেক সময় ধরে বরশি টেনে মাছ ধরতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়ি আমরা। মনে করেছিলাম আজ হয়তো আর মাছ উঠবে না। এর কিছুক্ষণ পর আমার বড়শিতে এই বাঘাইড় মাছটি ধরা পড়ে। পরে ডিমলা উপজেলার ডালিয়া ২ নম্বর বাজারে মাছটি নিয়ে যাই। সেখানে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দিয়ে খেলাসু চন্দ্র রায় নামের এক মাছ ব্যবসায়ী সেটিকে কিনে নেন। তারপরে তিনি মাছটি নীলফামারীর বড় বাজারে বিক্রির জন্য পাঠিয়ে দেন। শুনেছি ১৫০০ টাকা কেজি দরে মাছটি বিক্রি হচ্ছে।’

আব্দুস সবুর নামে এক ব্যক্তি জানান, ‘মাছটি জালাল উদ্দিন নামের এক জেলের বড়শিতে মাছটি ধরা পড়ে। আমরা তিস্তা পারের মানুষ অনেক খুশি।

এদিকে বাঘাইড় মাছ বিক্রির খবর শুনে নীলফামারী মাছের আড়তে অনেকেই মাছটি দেখতে ভিড় করেন। আবার অনেকেই মাছের কাটা অংশ কেনার জন্য তালিকায় নাম দিতে দেখা গেছে।

সৈয়দপুর থেকে আসা স্বপন মিয়া বলেন, ‘সকালে ফেসবুকে জানতে পারলাম মাছটি নীলফামারী মাছের আড়তে আনা হয়েছে। বিষয়টি জানার পরপরই মাছটি দেখতে আসি। ১৫০০ টাকা দাম আসলেই অনেক বেশি। তারপরও ভাবছি একটি ভাগ কিনবো। ’

সিফাত নামে অপর একজন বলেন, ‘আমি কয়েকটা বাঘাইড় মাছ দেখেছি। তবে এতো বড় মাছ দেখিনি। মাছটি দেখে এক ভাগ নেওয়ার জন্য তালিকায় নাম দিলাম।’

মাছ ব্যবসায়ী খেলাসু চন্দ্র রায় বলেন, ‘জেলে জালাল উদ্দিনের কাছ থেকে প্রথমে মাছটি কিনি। পরে নীলফামারীর মাছের আড়তে ১ হাজার টাকা কেজি দরে মাছটি বিক্রি করি।’ 

নীলফামারীর মাছ ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মাছটি কিনে নিয়েছি। মাছটির ওজন ৯২ কেজি। এখানে আমরা কেটে কেজি দরে মাছ বিক্রি করব। প্রতি কেজির দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। মাছটির ভাগ নিতে ইতোমধ্যে ৬০ জনের নাম পেয়েছি।’

সিথুন/ মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়