ঢাকা     রোববার   ০১ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৬ ১৪৩২ || ১২ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের একজনের মৃত্যু

কক্সবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫৭, ১ মার্চ ২০২৬  
কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের একজনের মৃত্যু

অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবু তাহের মারা যান।

কক্সবাজারের কলাতলীর এন আলম গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আবু তাহের (৪২) তিন দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

রবিবার (১ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের প্রতিবেশী আদর্শ গ্রাম সমাজ কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন:

আবু তাহের কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শ গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বাড়ির পাশের এন আলম গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধদের একজন ছিলেন তিনি।

নাছির উদ্দিন জানান, ওই দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধসহ আহত হন ১৫ জন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। আবু তাহেরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তার লাশ কক্সবাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমি উদ্দিন জানান, আগুনে দগ্ধ একজনের ঢাকায় মৃত্যুর বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। লাশ কক্সবাজারে পৌঁছালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুনরায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

বিস্ফোরণের পর আগুন আশপাশের ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ৩০টি গাড়ি, চারটি বাড়িসহ নানা স্থাপনা পুড়ে যায়। দগ্ধ ও আহত হন ১৫ জন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার বার্ন ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ জানিয়েছিলেন, চিকিৎসাধীন ছয়জনের মধ্যে আবু তাহের ৯০ শতাংশ, রহিম ৫০ শতাংশ, সিরাজ ৪০ শতাংশ, সাকিব ৩০ শতাংশ এবং মেহেদি ও মোতাহের ২০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছেন।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা/তারেকুর/বকুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়