ঢাকা     সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২৩ ১৪৩২ || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:২৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ০৯:১৬, ৬ এপ্রিল ২০২৬
বানিয়াচংয়ে ২২০০ বিঘা জমির ধান পানির নিচে

নদীর পানি আটকানোর চেষ্টায় কৃষক ও স্থানীয়রা। তলিয়ে যাওয়া ধান (ডানে)

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় নদীর পানি ঢুকে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীর পানি উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায়। একইভাবে বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকেছে। সেখানে আরো প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আরো পড়ুন:

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধানের শীষ বের হওয়ার এ পর্যায়ে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলার সম্ভাবনা নেই। বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

উগলী হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির মধ্যে বরগাচাষি সিজিল মিয়ার ৩০ বিঘা, উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক রুজ মিয়া, আলফু মিয়া ও শাহজাহান মিয়া জানান, বৃষ্টি না হলে নতুন করে ধান তলিয়ে যাবে না। পাকা ধান কাটার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, ‍“এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান এরই মধ্যে তলিয়ে গেছে। পানি বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।”

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী বলেন, “ধান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “আমাদের কাছে ২৪০ বিঘার মত জমি তলিয়ে যাওয়ার খবর এসেছে। এ ব্যাপারে গুরুত্বসহকারে খবর নেওয়া হচ্ছে।”

ঢাকা/মামুন/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়