রবি আজিয়াটার আর্থিক প্রতিবেদনের অনিয়ম তদন্তে বিএসইসি
পুঁজিবাজারের টেলিযোগাযোগ খাতে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রবি আজিয়াটা পিএলসির আর্থিক প্রতিবেদনে অনিয়ম, তথ্য গোপন এবং করপোরেট সুশাসনে ঘাটতির অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
এরই ধারাবাহিকতায় এরইমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গঠিত তদন্ত কমিটিকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিএসইসির কাছে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ থেকে বেশ কিছু শর্তসাপেক্ষে একটি আদেশ জারি করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিএসইসির উপ-পরিচালক মো. রফিকুন্নবী, সহকারী পরিচালক তন্ময় কুমার ঘোষ এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্থিক অনিয়ম, সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের বিষয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে ২০২১ ও ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, অ-পরিচালন আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেন যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হবে।
এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ে পরিচালন ব্যয়কে মূলধনী ব্যয় হিসেবে দেখিয়ে আর্থিক তথ্য বিকৃত করা হয়েছে। এ বিষয়টির সত্যতা এবং এর প্রভাবও তদন্তে মূল্যায়ন করা হবে।
পাশাপাশি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও অডিট কমিটির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। একইসঙ্গে রবি আজিয়াটা ও ইডটকোর মধ্যে লিজ চুক্তি ও অন্যান্য লেনদেনও পর্যালোচনার আওতায় থাকবে।
বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি কোম্পানিটির আর্থিক বিবরণী, সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন, করপোরেট সুশাসন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করবে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঢাকা/এনটি/ইভা
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হঁশিয়ারি