অনুমোদন ছাড়াই কাটা হচ্ছে খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার সেন্টারের গাছ
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
খাগড়াছড়ি সদরের নারান খাইয়া হর্টিকালচার সেন্টার ১৯৮৪ সালে ২০ একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে মাতৃবাগান করা এবং নিরাপত্তার অজুহাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই বড় গাছের ডাল ছাঁটাইয়ের নামে ২০ বছরের বেশি বয়সী গাছগুলো দেদারছে কাটা হচ্ছে।
পরিবেশ রক্ষার জন্য যেখানে সরকার গাছ লাগানোর বিষয়ে জনগণকে উৎসাহ দিচ্ছে, সেখানে মাতৃবাগান ও নিরাপত্তার অজুহাতে সরকারি গাছ কাটছেন নারান খাইয়া হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যোনতত্ত্ববিদ মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বড় বড় আম, জাম, জলপাই ও ঝাটা কড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলছেন।
মো. জহিরুল ইসলাম বলেছেন, “এই হর্টিকালচার সেন্টার প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৮৪ সালে। এর পর জঙ্গল পরিষ্কার ও গাছ ছাঁটাই করা হয়নি। ১০-১২ ফিট ওপরে ডাল ছাঁটাই করা হচ্ছে, যাতে অফিসটা নজরে থাকে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। অফিসের এমন অবস্থা এপাশ থেকে ওপাশে কিছুই দেখা যায় না। তাই, নিরাপত্তা ও মাতৃবাগান করার জন্য ডাল ছাঁটাই করা হচ্ছে। কোনো গাছ গোড়া থেকে কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ছাঁটাইয়ের জন অনুমোদন প্রয়োজন হয় না।”
তবে, ছাঁটাই করা ডালপালা কোথায় বিক্রি করছেন এবং অর্থ কোষাগারে অর্থ জমা দিচ্ছেন কি না, তা জানাননি তিনি।
খাগড়াছড়ি বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা বলেছেন, “সাধারণত সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার প্রয়োজন হলে জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির কাছে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। কমিটি গাছ কর্তনের বিষয়টি যৌক্তিক মনে করলে তখন শুধু অনুমোদন দেয়। খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার সেন্টারের গাছ কর্তনের বিষয়টি জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটিতে উত্থাপন করা হয়নি। তাদের কাছে এ ধরনের কোন প্রস্তাব যায়নি।”
ঢাকা/রূপায়ন/রফিক
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১১, আক্রান্ত ১০৫৮