গণভোটের রায়: টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
ছবি: রাইজিংবিডি
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল হয়েছে।
শনিবার (২ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিক্টোরিয়া রোডের জাহাজ বিল্ডিংয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশ ও গণমিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা ১১ দলের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির আহসান হাবিব মাসুদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন না, বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকবেন এটা হতে পারে না। অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। ৭০ শতাংশ ভোটারের রায়কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন, এরা যখন রায় বাস্তবায়নে রাস্তায় নামবে তখন কোথায় পালাবেন। আপনারা নিজেরাই বলেন আপনাদের কোনো প্রভু রাষ্ট্র নেই, কোথায় যাবেন? ক্ষমতায় এসেই সিন্ডিকেট করে তেলের সংকট করলেন, তারপর দাম বাড়ালেন। কার্ড করে তেল নিতে হয়। যে কার্ড পাবে সে নাগরিক, যে কার্ড পাবে না সে কী দেশে নাগরিক নয়? কার্ডের রাজনীতি বাদ দিন। গত নির্বাচনে পরিকল্পিতভাবে আমাদেরকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা কিছু বলছি না। এখনই গদিচ্যুত হোন, তা আমরা চাই না। ভালোভাবে দেশ চালান, ছলচাতুরি করে নয়।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনে লগ্নির টাকা উসুল করে দিতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ালেন, গ্যাসের দাম বাড়ালেন এক হাজার টাকা। জনগণের পকেট কাটা বন্ধ করুন। জনগণ ফুঁসে উঠলে রক্ষা পাবেন না। সবকিছুর দাম বাড়ানোই কী আপনার প্ল্যান? গণভোট-জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করাই কী আপনার প্ল্যান?”
এতে আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, জামাতের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবীর, সহকারী সেক্রেটারি হুসনে মোবারক বাবুল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সেক্রেটারি মো. শহিদুল ইসলাম, এনসিপির জেলা সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা কামরুল হাসান।
অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. আতাউর রহমান, শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলা আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসেন বাদল, সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন ও শহর সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম।
ঢাকা/কাওছার/সাইফ