ঢাকা     শুক্রবার   ০১ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ১৮ ১৪৩৩ || ১৪ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হুমায়ূন মেলা’

জাককানইবি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০৯, ১ মে ২০২৬   আপডেট: ১৮:১০, ১ মে ২০২৬
হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হুমায়ূন মেলা’

ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে ‘হুমায়ূন মেলা-১৪৩৩’।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের সামনে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুন:

সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এই মেলায় ছিল হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্মভিত্তিক নানা আয়োজন; নাটক, গান, লোকসংগীত, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাহিত্য আড্ডা এবং ব্যতিক্রমী ‘হাঁস ধরা’ প্রতিযোগিতাও।

মেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত অভিনেতা ও চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। তিনি হুমায়ূন আহমেদের বহু জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘আজ রবিবার’, ‘বহুব্রীহি’, ‘নক্ষত্রের রাত’ ও ‘তারা তিনজন’। মেলায় উপস্থিত হয়ে তিনি দর্শকদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণ শেয়ার করেন, যা শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে ওঠে এক আবেগঘন মুহূর্ত।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও অভিনেতা রমহত আলী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মঞ্চনাটক, টেলিভিশন নাটক ও একাডেমিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী ও অধ্যাপক ওয়াহিদা মালিক জলি, যিনি মঞ্চ ও টেলিভিশনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের শিল্পী তৈরিতেও ভূমিকা রাখছেন।

মূলত নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ‘ইভেন্ট অ্যান্ড প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট (ব্যবহারিক)’ কোর্সের অংশ হিসেবে এই মেলার আয়োজন করা হয়। কোর্সটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক বাঁধন তোকদার। মেলার টাইটেল স্পন্সর ছিল আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ‘স্পিড’।

আয়োজন নিয়ে বাঁধন তোকদার বলেন, “শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক কোর্সের অংশ হিসেবেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। হুমায়ূন মেলার উদ্দেশ্য হলো হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্য ও জীবনীকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। আমরা আশা করছি, এই আয়োজনের মাধ্যমে তার শিল্পকর্ম আবারো নতুন করে মানুষের মধ্যে আলোচনায় আসবে।”

ঢাকা/রুবেল/জান্নাত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়