ফেনী জেলা যুবদল কমিটি স্থগিত, পৌর সভাপতি-সম্পাদক বহিষ্কার
ফেনী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
ফেনীতে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করার ঘটনায় জেলা যুবদলের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি এ কে এম জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের ৮ সদস্যের কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
পরে জানা যায়, সুজন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ২ মে ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ছয় সদস্য পদত্যাগ করেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক ইউনিটের যথাযথ তদারকিতে ব্যর্থতা ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ফেনী জেলা যুবদলের বর্তমান কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কমিটির সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এছাড়া বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়ে ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি এ কে এম জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারীকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না এবং নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে কার্যকর করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
৩ মে কেন্দ্রীয় যুবদল পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত এনামুল হক সুজনকে দল থেকে বহিষ্কার এবং ঘোষিত ১২টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি নাসির উদ্দিন খন্দকারকে আহ্বায়ক ও নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাতকে সদস্য সচিব করে ফেনী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২৫ জুন ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা/সাহাব/বকুল
হাম ও হামের উপসর্গে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যু