ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ১৯ ১৪৩২ || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

রেকর্ড রানের ম্যাচে রানার ৪ উইকেট

ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:০৮, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
রেকর্ড রানের ম্যাচে রানার ৪ উইকেট

ছবি: রেজাউল করিম

ইমরুল কায়েস ও চাঁদউইক ওয়ালটনের ঝড়ো ফিফটিতে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গড়েছিল রানের পাহাড়। জিততে হলে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে গড়তে হতো বিপিএলে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড। ডেভিড মালানের ঝড়ো ফিফটিতে সম্ভাবনা জাগিয়েছিল তারা। কিন্তু লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। মেহেদী হাসান রানার দারুণ বোলিংয়ে আরেকটি জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম।

শুক্রবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি চট্টগ্রাম জিতেছে ১৬ রানে। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ২৩৮ রান করেছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। বিপিএলের ইতিহাসে যেটি এক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। গত আসরে এই চট্টগ্রামেই ৪ উইকেটে সর্বোচ্চ ২৩৯ রান করেছিল রংপুর রাইডার্স।

জবাবে ৭ উইকেটে ২২২ রানে থামে কুমিল্লা। ম্যাচে মোট রান হয়েছে ৪৬০। বিপিএলের এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এটিই। পেছনে পড়েছে একদিন আগে চট্টগ্রাম-ঢাকা ম্যাচের ৪২৬ রান।

চোটের কারণে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ এদিন খেলতে পারেননি। তবুও জয় পেতে সমস্যা হয়নি চট্টগ্রামের। ঘরের মাঠে এটি চট্টগ্রামের টানা তৃতীয় জয়, সব মিলিয়ে ছয় ম্যাচে পঞ্চম জয়। ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে তারা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। তৃতীয় ওভারে লেন্ডল সিমন্সের বিদায়ে ভাঙে ২২ রানের উদ্বোধনী জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে ১১৫ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন আভিস্কা ও ইমরুল। আভিস্কা ২৭ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৪৮ রান করে ফিরলে ভাঙে জুটি।

ইমরুল তুলে নেন আসরে নিজের দ্বিতীয় ফিফটি, ৩৫ বলে। বাউন্ডারিতে দাসুন শানাকার দারুণ ক্যাচে ফেরার আগে ৪১ বলে ৯ চার ও এক ছক্কায় ৬১ রানের দারুণ ইনিংস সাজান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

এরপর নাসির হোসেন ব্যর্থ হলেও দলকে দুইশর ওপরে নিয়ে যান ওয়ালটন ও সোহান। ১৯তম ওভারে সৌম্য সরকারকে তিন ছক্কা হাঁকানোর পথে ওয়ালটন ফিফটি তুলে নেন মাত্র ২২ বলে। এই ওভারে সৌম্য দেন ২৯ রান!

শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৭ বলে ৫ চার ও ৬ ছক্কায় ৭১ রানে অপরাজিত ছিলেন ওয়ালটন। ১৫ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন সোহান। পঞ্চম উইকেটে মাত্র ৩৪ বলে অবিচ্ছিন্ন ৯৯ রানের জুটি গড়েন দুজন।

শেষ দুই ওভারে কুমিল্লা খরচ করে ৪৯ রান! আবু হায়দার এদিন ২ ওভারে দেন ৩৮।

বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় ৩২ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে কুমিল্লা। সৌম্য সরকার, ভানুকা রাজাপাকশে, সাব্বির রহমান; তিনজনই রানার শিকার।

এরপর দলকে অনেকটা একাই টেনেছেন ডেভিড মালান। ঝড় তুলে এবারের আসরে প্রথম সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু সেঞ্চুরিটা পাননি। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরেই তাকে থামান রানা। ৩৮ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৪ রান করেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান।

মালানের বিদায়ের পর অধিনায়ক শানাকার ব্যাটে কুমিল্লা পরাজয়ের ব্যবধানই কমাতে পারে শুধু। ২১ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৩৭ রান করেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান।

নিজের প্রথম তিন ওভারে মাত্র ৬ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন রানা। শেষ ওভারে অবশ্য ২২ রান খরচ করে ফেলেন তিনি। ৪ ওভারে ২৮ রানে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন চাদউইক ওয়ালটন।

 

চট্টগ্রাম/পরাগ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়