ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৬ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৩ ১৪৩২ || ৬ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

‘ব্রেক দ্যা সাইলেন্স’ হুঁশিয়ারিতে অনড় জবি শিক্ষার্থীরা

জবি সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:১৭, ২১ আগস্ট ২০২৫  
‘ব্রেক দ্যা সাইলেন্স’ হুঁশিয়ারিতে অনড় জবি শিক্ষার্থীরা

সম্পূরক বৃত্তি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের নীতিমালা অনুমোদনের দাবিতে অনড় রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ‘ব্রেক দ্যা সাইলেন্স’ হুঁশিয়ারিতে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) টানা তৃতীয় দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

আরো পড়ুন:

আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, আগামী রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার মধ্যে দাবি মানা না হলে উপাচার্যের ভবনের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এ সময় তারা ‘জকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘বৃত্তি আমার অধিকার, মুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ ইত্যাদি স্লোগানে দেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, বছরের পর বছর প্রশাসন শুধু আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পূর্ববর্তী যমুনা আন্দোলনে পুলিশি টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে রক্তাক্ত হলেও দাবি থেকে সরে আসেননি তারা। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আহত হওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো সম্পূরক বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। এবার আর আশ্বাস নয়, বরং বাস্তবায়ন চান তারা।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ জবি শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, “জকসুর জন্য গত ১ বছরে কোনো নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি প্রশাসন। এত অকার্যকর প্রশাসন দিয়ে আমরা কী করব?”

জবি শাখা আপ বাংলাদেশ ছাত্র সংগঠনের আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, “আমরা সুস্পষ্ট রোডম্যাপ চাই। যদি তা না হয়, তবে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।”

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল অভিযোগ করে বলেন, “২০০৫ সালে বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষণায় জগন্নাথ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হলেও প্রতিহিংসার কারণে আজো এ বিশ্ববিদ্যালয় বঞ্চনার শিকার। জকসু নির্বাচন ছাড়া শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায় সম্ভব নয়।”

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একে এম রাকিব বলেন, “আমরা বারবার সুযোগ দিয়েছি, কিন্তু প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এখন যদি ইতিবাচক সাড়া না দেওয়া হয়, তবে এর ভয়াবহ পরিণতি হবে।”

কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা দুপুর ৩টায় আয়োজিত সম্মেলনে জানান, এ প্রশাসন শুরু থেকেই আশ্বাস দিয়ে সময় কাটিয়েছে। তবে এবার আশ্বাস নয়, বাস্তবায়ন চাই। শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি চলমান থাকবে এবং আগামী রবিবার সকাল থেকেই ওয়ার্কিং আওয়ারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে।

দুপুর ১২টার মধ্যে প্রশাসন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না দিলে ‘ব্রেক দ্যা সাইলেন্স’ কর্মসূচির আওতায় ভিসি ভবনের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

ঢাকা/লিমন/মেহেদী

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়