ঢাকা, সোমবার, ৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটন এলিভেটরে থাইল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ

এম মাহফুজুর রহমান : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-২৬ ৮:১০:১৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-২৭ ১:৫৯:২৫ এএম
বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটন প্যাভিলিয়নে এলিভেটর দেখছেন দর্শনার্থী

প্রতিদিনই ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ঢল নামছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায়। দিন যত গড়াচ্ছে জমে উঠছে মেলার ২৫তম আসর।

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে ওয়ালটনের স্টলে। সবার আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে ওয়ালটনের এলিভেটর বা লিফট। মেলায় ২৬ নম্বর স্টলে ওয়ালটন এলিভেটর বুকিং দিলেই ক্রেতারা পাচ্ছেন ক্যাশ ডিসকাউন্ট এবং থাইল্যান্ড যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। ওয়ালটন এলিভেটরে ‘ডাবল ধামাকা অফার’-এর আওতায় ওই সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

কর্মকর্তারা জানান, মেলায় এ পর্যন্ত ওয়ালটনের তৈরি এলিভেটর বুকিং দিয়েছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। পেয়েছেন ক্যাশ ডিসকাউন্ট এবং থাইল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ। ওয়ালটনের এসব সুবিধা থাকছে বাণিজ্য মেলার শেষ দিন পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় প্রযুক্তিতে বাংলাদেশেই এলিভেটর তৈরি করছে ওয়ালটন। এর ডিজাইন, উৎপাদন এবং স্থাপনে দক্ষ প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। ওয়ালটন কারখানা এবং করপোরেট অফিসসহ সব ধরনের স্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে নিজেদের তৈরি এলিভেটর। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এলিভেটর বিক্রি করছে ওয়ালটন। কিনলেই রয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত কিস্তি সুবিধা।

ওয়ালটন এলিভেটরের ব্র্যান্ড ম্যানেজার জাকিবুর রহমান সেজান জানান, ওয়ালটনই ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বাংলাদেশে এলিভেটর তৈরি করছে। মূল্য রাখা হচ্ছে ক্রেতাদের হাতের নাগালে। বাজারে রয়েছে ওয়ালটনের দুই ধরনের এলিভেটর  (প্যাসেঞ্জার ও কার্গো)। প্যাসেঞ্জার এলিভেটরের ধারণ ক্ষমতা ৩০০ কেজি থেকে শুরু করে ৩ হাজার কেজি পর্যন্ত। ৪ থেকে ৪০ জন প্যাসেঞ্জার বহন করার সক্ষমতা রয়েছে এর। এদিকে কার্গো এলিভেটরের ধারণ ক্ষমতা ৮০০ কেজি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কেজি পর্যন্ত।

ওয়ালটন এলিভেটরের অভ্যন্তরীণ সকল যন্ত্রাংশ মেলায় ডিসপ্লে করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডোর মোটর, প্যানেল ডিসপ্লে, ডোর প্যানেল, শিট মেটাল ইত্যাদিসহ নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত অন্যান্য পণ্য।

মেলার পাশাপাশি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটনের নিজস্ব বিশাল কারখানায় ক্রেতারা সরেজমিনে দেখে কিনতে পারবেন এলিভেটর। এতে রয়েছে রিমোট মনিটরিং সিস্টেম। ফলে ফ্যাক্টরিতে বসেই দেশের যেকোনো প্রান্তে বিক্রয়োত্তর সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। আরো রয়েছে ডোর লোড ডিটেক্টর, ওভার লোড সেন্সর এবং এআরডি এর মতো তিনটি অত্যাধুনিক ফিচার।

এছাড়াও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেশিনারিজ যেমন, ট্র্যুপাঞ্চ (জার্মানি), ট্র্যুবেন্ড (জার্মানি), ওয়াটার জেট কাটিং মেশিন (আমেরিকা), ইউনিভার্স্যাল মিলিং মেশিন (তাইওয়ান), প্লানোমিলার (তাইওয়ান), লেজার কাটিং (চীন), অটোমেটেড গ্যাস কাটার এবং ওয়েল্ডিং মেশিনসহ অনেক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে তৈরি করা হচ্ছে ওয়ালটন এলিভেটর।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ওয়ালটনের এলিভেটর বাজারজাত করার আগে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়। এলিভেটর তৈরিতে ইউরোপীয় নিরাপত্তা কোড-ইএন ৮১-২০, ইএন ৮১-৫০ এবং ইএন ৮১-৭০ অনুসরণ করে ওয়ালটন।

ওয়ালটন এলিভেটর বিভাগের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সোহেল রানা বলেন, ২০১৪ সালে দেশেই এলিভেটর তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করে ওয়ালটন। সে অনুযায়ী অবকাঠামো নির্মাণ, গবেষণা এবং মান উন্নয়ন বিভাগ, ইউরোপ-আমেরিকা থেকে আনা অত্যাধুনিক মেশিনারিজ স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি। এলিভেটরের ডিজাইন, উৎপাদন এবং ইন্সটলেশনে নিযুক্ত আছেন দক্ষ একঝাঁক দেশীয় প্রকোশলী, ডিজাইনার এবং টেকনিশায়ান। ওয়ালটনের কারখানা এবং করপোরেট অফিস ভবনসহ সব ধরনের স্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে নিজেদের তৈরি এলিভেটর। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এলিভেটর বিক্রি করছে ওয়ালটন।

সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবায় ওয়ালটনের রয়েছে নিজস্ব সার্ভিস টিম ও ডেডিকেটেড কাস্টমার কেয়ার নম্বর (১৬২৬৭, ০১৬৮৬৬৯০১৩৭ ও ০১৬৮৬৬৯৪৩১২)। রয়েছে ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা। এলিভেটর কেনার এক বছরের মধ্যে কোনো যন্ত্রাংশে সমস্যা হলে ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ ফ্রিতে। এ ছাড়াও আছে এক বছরের ফ্রি মেইনটেনেন্স সুবিধা। এলিভেটরের যেকোনো সমস্যায় তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভিস টিম পৌঁছে যায় গ্রাহকের কাছে।


ঢাকা/মাহফুজুর/সাইফ