Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

থালা কেটে নয়, নালা কেটে রাজস্ব নিয়ে আসা হবে: এনবিআর চেয়ারম্যান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৫১, ৩ মার্চ ২০২১   আপডেট: ২১:৪৬, ৩ মার্চ ২০২১
থালা কেটে নয়, নালা কেটে রাজস্ব নিয়ে আসা হবে: এনবিআর চেয়ারম্যান

আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম (ফাইল ছবি)

যতবেশি উৎসের খোঁজ করা যাবে, ততবেশি রাজস্ব আদায় করা যাবে বলে মন্তব‌্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। তিনি বলেন,  আরও বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ‌্যে এনবিআর নতুন নতুন উৎসের খোঁজে কাজ করছে।  থালা কেটে না এনে নালা কেটে রাজস্ব নিয়ে আসা হবে।’
 
বুধবার (৩ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ চেম্বার্স অব ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ‌্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলা চেম্বারের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায়  এনবিআর চেয়ারম‌্যান এসব কথা বলেন।
 
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেন পানির উৎস মুখে নালা কেটে দেওয়া যায়। তাহলে পানি গড়িয়ে চলে আসবে।  থালা কেটে বা সেচে পানি আনবো না। তাহলে এক সময় ফুরিয়ে যাবে।”

ব্যবসায়ী নেতাদের প্রস্তাব প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের প্রস্তাবনার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এর ভিত্তিতে কাজ করতে পারলে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা সুবিধা পাবেন। এটাও আমার বিশ্বাস। কিন্তু আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে এখনো আস্থার সংকট রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা যত বেশি অর্জিত হবে, এনবিআর ততবেশি সুযোগ সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।’
 
সুযোগ-সুবিধার প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম‌্যান বলেন, ‘অনেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বা অতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরক্ষার জন্য প্রস্তাব করেন। এটি একটি মানবিক দিক।  অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে তাদের ভূমিকা বেশি। যে খাতের সুবিধা সে খাত ভোগ করতে পারলে অর্থনীতি বেগবান হবে। সব খাতে একই ব্যক্তি সুবিধা নিতে চাইলে হবে না।’

আলোচনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট চেম্বারের প্রতিনিধি ও এনবিআরের আয়কর নীতির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন, শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন বিভাগের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম, ভ্যাট নীতির সদস্য মো. মাসুদ সাদিক প্রমুখ। 

ঢাকা/শিশির/এনই

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে