ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৫ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

সংসদ টেলিভিশনে পাঠদানে খরচ হবে কত?

আবু বকর ইয়ামিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-৩০ ৬:১৮:৫৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-৩০ ৬:১৮:৫৭ পিএম

করোনাভাইরাসের কারণে আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।  এ সময়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য সংসদ টেলিভিশনে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

এরইমধ‌্যে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দিয়ে রেকর্ডিং করে সেটি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর এ কার্যক্রমে কত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব‌্য দিচ্ছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এ কার্যক্রমের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৬ কোটি টাকা।  মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ অর্থের বাজেট  চায়। পরে সেটি অর্থ মন্ত্রণালয়েও যায়। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় কোনো বাজেট অনুমোদন করেনি। তা এখনো ঝুলে আছে।

জানা যায়, মাউশির পক্ষ থেকে প্রথমে তিন মাসের বাজেট চাওয়া হয়। কিন্তু এটি প্রকৃতপক্ষে কতদিন চলবে তা ঠিক নেই। সেজন্য কোনো বাজেট অনুমোদন হয়নি। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকও এর জন্য অর্থায়ন করতে চেয়েছিল বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) মাউশির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য রাইজিংবিডিকে বলেন, আসলে এ বিষয়ে আমার খুব বেশি জানা নেই। তবে আমরা চেষ্টা করবো সবচেয়ে কম অর্থ ব্যয় করতে। এ বিষয়ে আমাদের মহাপরিচালক ভালো বলতে পারবেন।

জানতে চাইলে মাউশির মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক রাইজিংবিডিকে বলেন, আসলে আমরা এখনো নিশ্চিত নই, কতদিন এটি চালিয়ে যেতে হবে। কম সময় চালিয়ে কম ব্যয় হবে, বেশিদিন চালিয়ে গেলে বেশি ব্যয় হবে।

জানা গেছে, মাউশির পক্ষ থেকে ১৬ কোটি টাকা বাজেট চাওয়া হয়েছে।  এ বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, প্রথমদিকে ১৬ কোটি টাকা বাজেট চাওয়া হয়েছিল বিষয়টি ঠিক। শুরুতে আমাদের টেলিভিশন সম্প্রচার ব্যয়সহ এই বাজেট ধরা হয়েছিল। কিন্তু পরে সম্প্রচারের জন্য যখন আমরা সংসদ টেলিভিশন পেয়ে গেছি তখন ব্যয় অনেকটা কমে আসছে। এখন বলা যেতে পারে ৭-৮ কোটি টাকার বেশি হবে না। তবে এটি যদি দীর্ঘ সময় চালিয়ে যেতে হয় তাহলে সেক্ষেত্রে ব্যয় বাড়তেও পারে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতে 'সংসদ টেলিভিশন'-এ ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম প্রচারের সিন্ধান্ত নেয় সরকার।  এটুআইয়ের সহায়তায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এটি পরিচালনা করছে।

এ বিষয়ে মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, ‘পাঠদানকারী শিক্ষক ক্লাস শেষে পাঠদান করা বিষয়ের ওপর বাড়ির কাজ দেবেন। প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদা খাতায় তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা সম্পন্ন করবে। স্কুল খোলার পর সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকের কাছে বাড়ির কাজ জমা দিতে হবে। এই বাড়ির কাজের ওপর প্রাপ্ত নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।’


ঢাকা/ইয়ামিন/জেডআর