ঢাকা     সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২৩ ১৪৩২ || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

সন্ধ্যার পর বন্ধ মাল্টিপ্লেক্স, নির্মাতাদের উদ্বেগ

বিনোদন ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ১৫:২৯, ৬ এপ্রিল ২০২৬
সন্ধ্যার পর বন্ধ মাল্টিপ্লেক্স, নির্মাতাদের উদ্বেগ

ছবির কোলাজ

ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো এখনো প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানছে। দর্শকদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এরই মধ্যে সরকারি নির্দেশনা মেনে মাল্টিপ্লেক্সগুলো সন্ধ্যার পরের শো বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ নিয়ে যৌথ এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর নির্মাতা ও প্রযোজকেরা। 

বিবৃতিতে নির্মাতারা জানিয়েছেন, সরকার সংকট মোকাবিলায় রাত ৭টার পর মার্কেট বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তারা সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের কারণে মার্কেটের ভেতরে থাকা সিনেমা হলগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা চলমান ঈদের সিনেমা এবং সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। 

আরো পড়ুন:

সন্ধ্যা ও রাতের শোয়ে দর্শকসমাগম বেশি বলে দাবি নির্মাতাদের। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঈদের সিনেমার মূল দর্শকসমাগম ঘটে সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোতে, যা ‘প্রাইম টাইম’ হিসেবে বিবেচিত। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক এই সময়েই পরিবারসহ প্রেক্ষাগৃহে আসেন। ফলে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শো বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন। 

আগে মার্কেট নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলোকে সেই নিয়মের বাইরে রাখা হতো। রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চালানোর অনুমতি থাকত, এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তারা। 

একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে প্রযোজকের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। উৎসবের এই কয়েকদিনেই সেই বিনিয়োগ তুলে আনার প্রধান সময়। পিক-আওয়ারে হল বন্ধ থাকলে লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য খুবই খারাপ হবে বলেও উল্লেখ করেন নির্মাতা-প্রযোজকেরা। 

পূর্বের মতো সিনেমার প্রদর্শনী চালু রাখার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সিনেমা হলকে সাধারণ দোকানের আওতামুক্ত রেখে, মার্কেট বন্ধ থাকলেও পূর্বের মতো প্রদর্শনী চালু রাখার সুযোগ দেওয়া। এতে একদিকে দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পাবে, অন্যদিকে প্রযোজকরাও তাদের বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

যৌথ এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন—‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার নির্মাতা তানিম নূর, প্রযোজক সাকিব আর খান, ‘রাক্ষস’ সিনেমার প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি,  ‘দম’ সিনেমার নির্মাতা রেদওয়ান রনি ও প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, ‘প্রেশার কুকার’ নির্মাতা ও প্রযোজক রায়হান রাফী এবং ‘প্রিন্স’ সিনেমার প্রযোজক শিরিন সুলতানা।

ঢাকা/শান্ত

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়