আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না, বিতর্কের মুখে প্রসেনজিৎ
প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া শিবপুর আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। তৃণমূলের প্রার্থী রানা চ্যাটার্জিকে ১৬ হাজার ৫৮ ভোটে পরাজিত করেছেন এই অভিনেতা। বিজয়ের পর উচ্ছ্বসিত রুদ্রনীল ঘোষ।
গতকাল রাতে খবর ছড়ায়, রুদ্রনীল জয়ী হওয়ার পর ফোন তরে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার বরেণ্য অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি। এরপর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় চর্চা, বিতর্ক। অনেকে প্রসেজিৎকে ‘সুবিধাবাদী’ বলেও কটাক্ষ করেন। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন এই তারকা অভিনেতা।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামী দিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ—দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।”
রুদ্রনীলকে ফোন করার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি বলেন, “আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেই টুকুই পালন করেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই।”
বলে রাখা ভালো, গত ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হয়। উত্তরবঙ্গের আটটি ও দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলা মিলিয়ে মোট ১৬টি জেলার ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রার্থী হন ১ হাজার ৪৫২ জন। ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ।
কয়েক দিন বিরতি দিয়ে ২৯ এপ্রিল, এ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করে নির্বাচন কমিশনার। কলকাতা ও রাজ্যের ৭ জেলার ১৪২টি আসনে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (৪ মে) ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনার। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এতে বিজেপি পেয়েছে ২০৬টি, আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি। এর মধ্য দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকা দেড় দশকের ক্ষমতার মসনদ কেড়ে নিলো ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপি।
ঢাকা/শান্ত
নারায়ণগঞ্জে র্যাবের ওপর হামলায় আহত ৩