‘তেলের দাম আরো বাড়তে পারে’
অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকারগুলো চলাচল শুরু না করা পর্যন্ত তেলের দাম সম্ভবত বাড়বে। তবে আগামী সপ্তাহগুলোতে পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে বলে সোমবার জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট।
সেমাফর ওয়ার্ল্ড ইকোনমি সম্মেলনে উপস্থিতদের উদ্দেশে রাইট বলেন, “যতক্ষণ না এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা জ্বালানির দাম চড়া দেখব এবং সম্ভবত তা আরো বাড়বে।”
তিনি জানান, ওই পর্যায়ে তেলের দাম ‘সর্বোচ্চ শিখরে’ পৌঁছাবে। এটি ‘আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই’ ঘটবে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। সোমবার, দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এক মাস আগে রাইট জানিয়েছিলেন, গ্রীষ্মের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম কমে গ্যালন প্রতি অন্তত ৩ ডলারে নেমে আসার ‘খুব ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো রাইটও সোমবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তেলের দাম সম্ভবত বাড়তে থাকবে এবং কয়েক মাস ধরে তা উচ্চ পর্যায়েই থাকবে।
তিনি বলেছেন, “... সংঘাত শেষ হয়ে গেলে এবং জ্বালানির প্রবাহ আবার শুরু হলে, আপনারা নিম্নমুখী চাপ দেখতে শুরু করবেন, তবে এতে কিছুটা সময় লাগবে। সংঘাত যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, প্রত্যাবর্তনও তত দীর্ঘ হবে।”
ঢাকা/শাহেদ