ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১৪ মে ২০২৬ ||  চৈত্র ৩১ ১৪৩৩ || ২৭ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

আইনজীবী হিসেবে মমতার স্ট্যাটাস জানতে চেয়ে বার কাউন্সিলকে নোটিশ

কলকাতা ব্যুরো || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৫৫, ১৪ মে ২০২৬  
আইনজীবী হিসেবে মমতার স্ট্যাটাস জানতে চেয়ে বার কাউন্সিলকে নোটিশ

আইনজীবী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ট্যাটাস জানতে চেয়ে রাজ্য বার কাউন্সিলের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া। আইনজীবী হিসেবে মমতার এনরোলমেন্ট আছে কিনা সেটাও জানতে চেয়েছে বার কাউন্সিল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ভোট পরবর্তী সহিংসতার মামলার শুনানিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার আইনজীবীর ভূমিকায় হাইকোর্টে হাজির তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। সকালেই আইনজীবীদের নির্দিষ্ট কালো গাউন পরে হাইকোর্টে পৌঁছে যান সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

আরো পড়ুন:

কেন্দ্রীয় বার কাউন্সিল জানতে চেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত কি না। আইনজীবী হিসাবে তার প্র্যাকটিসের স্ট্যাটাস সক্রিয়, স্থগিত না বাতিল হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে প্র্যাকটিস স্থগিত রাখার বিষয়ে কোনো লিখিত বার্তা বা বিজ্ঞপ্তি জমা দেওয়া হয়েছিল কি না এবং পরবর্তীতে প্র্যাকটিস পুনরায় শুরু করার জন্য কোনো আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল কি না। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় বার কাউন্সিল আগামী দু’দিনের মধ্যে রাজ্য বার কাউন্সিলকে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। 

নিয়ম অনুযায়ী, আইন পাশ করার পর প্র্যাকটিস করার জন্য আইনজীবীদের বার কাউন্সিলের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট নিতে হয়। তবে দীর্ঘদিনের জন্য পেশা থেকে সরে যেতে হলে বার কাউন্সিলে ‘সাসপেনশন অফ প্র্যাকটিস’ জমা দিতে হয়। অর্থাৎ জানাতে হয়, তিনি আপাতত ওকালতি করবেন না। পরবর্তীতে তিনি পুরনো পেশায় ফিরতেই পারেন, কিন্তু সেক্ষেত্রে তাকে বার কাউন্সিলকে পুনরায় চিঠি দিতে হয়। সম্মতি পেলে ফের শুরু করতে পারেন প্র্যাকটিস। এই পরিস্থিতিতেই মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্নের জবাব তলব করল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। 

এর আগে সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মমতা। তবে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন না তিনি। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনের পরাজয়ের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন, দলের বিভিন্ন মামলায় এবার থেকে তিনি শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন। পেশাগতভাবে আইনজীবী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন। 

এর আগেও বিরোধী নেত্রী থাকাকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের নামের সঙ্গে পিএইচডি যুক্ত করেছিলেন। পরবর্তীতে জানা যায়, তিনি যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি যুক্ত করেছিলেন সেই ইস্ট জর্জিয়া নামে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব নেই। তার ডিগ্রিটি আসলে ভুয়া। তীব্র সমালোচনার মুখে বাধ্য হয়ে সেই পিএইচডি ডিগ্রি পরিত্যাগ করেন মমতা।
 

ঢাকা/সুচরিতা/শাহেদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়