ঢাকা     বুধবার   ১৭ আগস্ট ২০২২ ||  ভাদ্র ২ ১৪২৯ ||  ১৮ মহরম ১৪৪৪

ভিড়-ভ্যাপসা গরমে টিকিটপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি চরমে 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:২১, ৩ জুলাই ২০২২   আপডেট: ১৪:০০, ৩ জুলাই ২০২২
ভিড়-ভ্যাপসা গরমে টিকিটপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি চরমে 

কমলাপুরে টিকিটপ্রত্যাশীদের ভিড় (ছ‌বি: মেসবাহ য়াযাদ)

ঈদের অগ্রীম টিকিটের প্রত্যাশায় কমলাপুর রেলস্টেশনে দিন-রাত পার করছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। অতিরিক্ত ভিড় ও ভ্যাপসা গরমে টিকিটপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি চরমে। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও টিকিট পাওয়া নিয়ে শঙ্কা অনেকের। অনলাইনে টিকিট না পেয়ে সরাসরি কাউন্টারেই আসছেন বেশির ভাগ মানুষ। তারপরও তাদের কাছে টিকিট যেনো সোনার হরিণ।

একদিন আগে থেকেই প্লাটফর্মে কাগজ বা চাদর বিছিয়ে লাইন দিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউবা শুয়ে। আবার কেউ গল্প আর আড্ডা দিয়ে সময় পার করছেন কমলাপুর রেলস্টেশনে। ঈদে বাড়ি যাওয়ার একটি টিকিটই তাদের প্রত্যাশা। 

শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ১ জুলাই দেওয়া হয় ৫ জুলাই এর ট্রেনের টিকিট, ২ জুলাই দেওয়া হয় ৬ জুলাইয়ের টিকিট, আজ ৩ জুলাই দেওয়া হচ্ছে ৭ জুলাইয়ের ট্রেনের টিকিট, ৪ জুলাই দেওয়া হবে ৮ জুলাইয়ের টিকিট এবং ৫ জুলাই দেওয়া হবে ৯ জুলাইয়ের ট্রেনের টিকিট।

এছাড়া, ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৭ জুলাই থেকে। ওই দিন ১১ জুলাইয়ের টিকিট বিক্রি হবে। ৮ জুলাই ১২ জুলাইয়ের টিকিট, ৯ জুলাই ১৩ জুলাইয়ের টিকিট, ১১ জুলাই ১৪ এবং ১৫ জুলাইয়ের টিকিট বিক্রি হবে। ১০ জুলাই ঈদ হওয়ায় ১১ জুলাই সীমিত কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করবে। তবে ১২ জুলাই থেকে সব ট্রেন চলাচল করবে।

রোববার (২ জুলাই) রেলস্টেশনে গিয়ে টিকিটপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই গত রাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন টিকিটের জন্য। কেউ বা মধ্যরাত থেকে দাঁড়িয়ে আছেন। কাউন্টারের সামনের অংশ কানায় কানায় পূর্ণ। 

দিনরাত টানা অপেক্ষায় নাজেহাল যাত্রীরা। অনলাইন ওয়েবসাইট কিংবা ‘রেল সেবা’ অ্যাপ কাজ না করায় টিকিট না পাওয়ার অভিযোগ অনেকের। তাই কাজ ফেলে বাধ্য হয়ে স্টেশনে বসে আসছেন বলে জানান যাত্রীদের অনেকে। 

গতকাল (শনিবার) কমলাপুরের টিকিট কাউন্টার পরিদর্শন করেছেন রেলমন্ত্রী। চাহিদার তুলনায় রেলের টিকিটের সক্ষমতা কম বলে এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান মন্ত্রী।

রেবাবার সকালে কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার রাইজিংবিডিকে জানান, ঈদে ঘরমুখী মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষে ৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। একই সঙ্গে কোরবানির ঈদ যাত্রায় যুক্ত হবে অতিরিক্ত ৬৭টি কোচ। যাতে যাত্রীরা স্বস্তিতে গ্রামের বাড়ি যেতে পারেন।

মেয়া/ইভা/এনএইচ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়