ঢাকা     রোববার   ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ২৭ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ভিসা বন্ডে বাংলাদেশ: ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করার আহ্বান 

নিউজ ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:২৭, ১০ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৫:১৮, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
ভিসা বন্ডে বাংলাদেশ: ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করার আহ্বান 

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন রাজনৈতিকবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যালিসন হুকার এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।সেখানে মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’এ বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ব্যবসায়িক ভ্রমণ আরো সহজ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো ও শুল্ক হ্রাসের মতো বিষয়ে আলোচনা হয়। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি সঙ্গে খলিলুর রহমানের বৈঠক হয়।

আরো পড়ুন:

এ সময়  গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা নীতিগতভাবে ব্যক্ত করেন তিনি। জবাবে, আন্ডার সেক্রেটারি হুকার বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিলে কাজ করতে ইচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি হুকারকে সাম্প্রতিক ভিসা বন্ড ব্যবস্থায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান। বিশেষ করে স্বল্পমেয়াদি বি-১ ক্যাটাগরির ভিসা, ভিসা বন্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান।

বৈঠককালে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর অগ্রগতি তুলে ধরেন।

খলিলুর রহমান বলেন, “পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য হারে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। এরইমধ্যে চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক বাস্তবায়নও করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে কার্যকর থাকা ২০ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন।”

এছাড়া, যে সব পোশাকে মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ওপর থেকে মার্কিন শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়ে খলিলুর রহমানের প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার বিষয়েও তিনি একমত পোষণ করেন।

এদিকে, দ্রুত সময়ে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়ন করতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ফলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে উল্লেখ করেন ড. খলিলুর রহমান।

একই সঙ্গে ড. রহমান বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি (ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স কর্পোরেশন) তহবিল প্রাপ্তির অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এসব বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

 

ঢাকা/ইভা   

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়