ঢাকা     বুধবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১২ ১৪৩২ || ৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:২২, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১১:৪৮, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মঙ্গলবার সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রথমে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি। তারপর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তারা।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ–বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। সব মিলিয়ে তখন পিলখানায় নিহত হন ৭৪ জন। সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরাও চরম নৃশংসতার শিকার হন।

২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। 

শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন “আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।”

তিনি বলেন, “পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো-নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরী বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।”
 

ঢাকা/ইভা 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়