ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৬ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

মাদারীপুরে ‘কাশ্মীরি আপেল কুল’

মাদারীপুর সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০২-১৯ ১১:৩৪:১৯ এএম     ||     আপডেট: ২০২০-০২-১৯ ১১:৩৪:১৯ এএম

কাশ্মীরি নূরানী আপেল কুলের বাগান করে সাফল্যের মুখ দেখছেন মাদারীপুরের শিবচরের বেলজিয়াম প্রবাসী যুবক লিয়াকত বেপারী।

কাশ্মীরি নূরানী আপেল কুলের স্বাদ অতি মিষ্টি। রংটা লাল আপেলের মতো এবং খেতেও আপেলের মতোই সুস্বাদু।

ইউটিউবে কৃষি বিষয়ক প্রতিবেদন দেখে কাশ্মীরি নূরানী আপেল কুল চাষে উদ্বুদ্ধ হন লিয়াকত।

গত বছরের ডিসেম্বরে শিবচরের নিজ গ্রাম উত্তর বাঁশকান্দিতে ৮ শ কাশ্মীরি নূরানী আপেল চারা ও ৫ শ মালটা গাছের চারা রোপণ করেন লিয়াকত। ৪ বিঘা জমিতে এই বাগান গড়তে তার প্রায় ৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়।

চারা রোপণের ১০ মাস পরই চারাগুলো পরিপক্কতা পেয়েছে। গাছে ধরেছে থোকায় থোকায় কাশ্মীরি নূরানী আপেল কুল। প্রতি গাছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি করে আপেল কুল হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবের কারণে বাগানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে তার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকলে প্রতি গাছ থেকে অন্তত ৫০ কেজি করে কুল পাওয়া যেতো বলে মনে করছেন তিনি।
 


তিনি জানান, গাছগুলো একবার পরিপক্ক হয়ে উঠলে ১০বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। তার এই বাগানে ৭-৮জন লোক দিনরাত পরিচর্যা রয়েছে। তবে চারা রোপণের আগে শঙ্কিত ছিলেন, শিবচরের মাটিতে এই কুল উৎপাদন নিয়ে। পাশাপাশি একই বাগানে তিনি মালটাও রোপণ করেছেন।

শিবচরের মাটিতে কাশ্মীরি নূরানী আপেল ও মালটা আবাদের উপযোগী বলে মনে করেন লিয়াকত। তবে তার দুঃখ- ‘এই উদ্যোগে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তেমন সহযোগীতা পাননি।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমি ফল বিক্রি শুরু করেছি। কাশ্মীরি নূরানী আপেল কুল ফলিয়ে আমি সাফল্যের মুখ দেখছি।’

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপ রায় জানান, নতুন জাতের এই কাশ্মীরি নূরানী আপেল কুল চাষে শিবচরে প্রাথমিকভাবে সাফল্য দেখা গেছে। এই ফল রোপণ ও চাষের জন্য কেউ সহযোগিতা চাইলে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সর্বাত্মক সহযোগীতা করা হবে।

 

বেলাল রিজভী/টিপু

       
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : মাদারীপুর, ঢাকা বিভাগ