ঢাকা     রোববার   ১৭ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪৩৩ || ২৯ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ফ্যাটি লিভার রোগীদের রোজা রাখার উপকারিতা

হৃদয় তালুকদার || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:১৫, ৭ মার্চ ২০২৫   আপডেট: ১১:৪২, ৭ মার্চ ২০২৫
ফ্যাটি লিভার রোগীদের রোজা রাখার উপকারিতা

ছবি: প্রতীকী

ফ্যাটি লিভারের রোগীদের লিভাবে অতিরিক্ত চর্বি জমে যায়। অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়ার কারণে লিভাবে প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দেয়। পরবর্তীতে ক্রনিক হেপাটাইটিস এমনকি ক্যান্সার দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকেরা বলছেন, ফ্যাটি লিভারের রোগীদের জন্য রোজা রাখার বহুমাত্রিক উপকারিতা রয়েছে। 

ডা. এম. সাঈদুল হক, লিভার, গ্যাস্ট্রো-এন্টেরোলজি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, সহকারী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বলেন ,‘‘ অধিক আহার গ্রহণ করা  থেকে বিরত থাকার জন্য ত্রিশটি রোজা রাখা শরীরের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। রোজায় আমরা সুবহে সাদিক থেকে মাগরিব পর্যন্ত পানাহার থেকে যে বিরত থাকি এরপরে ইফতার এবং রাতের খাবার গ্রহণ করি এবং সেক্ষেত্রে যদি আমাদের মধ্যে পরিমিতি বোধ আসে তাহলে দেখা যায় ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্ত থাকতে পারি। আর সপ্তাহে দুই দিন আমরা অনেকেই রোজা রাখি নফল ইবাদত হিসেবে কিংবা বিভিন্ন উপলক্ষে আমরা রোজাগুলো রাখি সে রোজাতেও কিন্তু ব্যাপক উন্নতি লাভ করে। এখানে যেটি হয় যে ফ্যাটি লিভারে যে অতিরিক্ত চর্বি জমে, সেই চর্বি গলে যায়। রোজায়া আমাদের কোষগুলো রি-জেনারেশন করতে পারে অর্থাৎ কোষের ভেতরে যে ময়লা আবর্জনাগুলো জমে যায় এবং অতিরিক্ত খাদ্যকণা বা চর্বি জমে যায় সেগুলো ঝেড়ে ফেলার সুযোগ পায়।’’

আরো পড়ুন:

এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘‘লিভারের চর্বি ঝরে গেলে লিভার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায় এবং নতুন করে কর্মউদ্দীপনা তৈরি করে। আমরা যারা ফ্যাটি লিভার চিকিৎসা করি তারা রোগীদের পরামর্শ দেই, প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করতে হবে, সপ্তাহে দুই দিন রোজা রাখতে হবে এবং নিয়ম করে ওষুধ খেতে হবে।’’

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন এটি পৃথিবীব্যাপী একটি মেডিকেল সাইন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময় পানাহার থেকে বিরত থাকলে শারীরিক সুস্থতা লাভ হয় এবং আমারা বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারি। 

ঢাকা/লিপি

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়