ঢাকা     রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ৫ ১৪২৭ ||  ০২ সফর ১৪৪২

অবশেষে পাঁচমাস পর ব্রাজিলে ফিরছেন রোনালদিনহো

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:১০, ৮ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
অবশেষে পাঁচমাস পর ব্রাজিলে ফিরছেন রোনালদিনহো

জাল পাসপোর্ট নিয়ে প্যারাগুয়েতে প্রবেশের অভিযোগে গত মার্চে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার রোনালদিনহো এবং তার ভাইকে। এরপর কেটে গেছে ৫ মাস। এই লম্বা সময় প্যারাগুয়ের জেলে বন্দি ছিলেন তারা। অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ব্রাজিলে ফিরতে যাচ্ছেন রোনালদিনহো এবং তার ভাই। তবে এই জন্য বেশ কঠিন শর্তের মুখোমুখি হতে হচ্ছে দুই সহোদরকে।

এদিকে শুক্রবার এই মামলার প্রসিকিউটরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ শুনানির অপেক্ষায় তারা। এরপরই মুক্তি মিলবে রোনালদিনহো এবং তার ভাই রবার্তো ডি অ্যাসিসের।

মূলত মুক্তির জন্য কঠিন শর্তগুলো মেনে নেওয়ার পর, তাদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত বন্ধ করতে পাবলিক প্রসিকিউটিরকে জানানো হয়। মুক্তির জন্য যে সকল শর্ত দেওয়া হয় রোনালদিনহো এবং তার ভাইকে সেটির মধ্যে প্রধান হচ্ছে, দু’জনকেই তাদের অপরাধ আদালতে দাঁড়িয়ে স্বীকার করতে হবে। এর পাশাপাশি, মুক্তির জন্য রোনালদিনহোকে ৯০ হাজার এবং তার ভাইকে ১ লাখ ১০ হাজার ডলার গুণতে হবে।

এদিকে রোনালদিনহোর ভাইকে প্যারাগুয়ে সরকার আজীবন অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত রাখবেন। তবে এটি থেকে মুক্ত থাকবেন রোনালদিনহো। অপরাধী না হলেও আগামী দুই বছর রোনালদিনহো কোথায় যাচ্ছেন, সে বিষয়ে তথ্য দিতে হবে প্যারাগুয়েকে। এদিকে রোনালদিনহোর ভাই দুই বছরের জন্য ব্রাজিলের বাইরে যেতে পারবেন না। 

এছাড়াও দুই ভাইকে প্রতি তিন মাস পরপর ব্রাজিলের একটি ফেডারেল জজ আদালতে গিয়ে হাজিরা দিতে হবে। এমন অবস্থা চলবে দুই বছর পর্যন্ত। এরপরই পুরোপুরি ক্লিয়ারেন্স পাবেন তারা দু’জন।

তাদের আইনজীবী সার্জিও কুইরোজ বলেন, ‘পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অর্থনৈতিক কিংবা এ সম্পর্কিত কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ৫ মাস জেল খাটার পর অবশেষে এটাই প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, যা আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছিলাম।’

গত মার্চেই রোনালদিনহো এবং তার ভাই বরার্তো জাল পাসপোর্ট বহন করে প্যারাগুয়েতে প্রবেশ করার অপরাধে গ্রেফতার হন। প্রাথমিক শুনানির পর তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এর একমাস পর ৮ লাখ ডলারের বিনিময়ে কারাগার থেকে ছাড়া পেলেও প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুসিওনের একটি লাক্সারি হোটেলে তাদেরকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। সে থেকে ওই হোটেলেই বন্দী রয়েছেন তারা।

ঢাকা/কামরুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়