ইতিহাস পাল্টাতে পারল না নিউ জিল্যান্ড, দ. আফ্রিকার পাঁচে পাঁচ
ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউ জিল্যান্ডের কাছে কখনো হারে না দক্ষিণ আফ্রিকা। অতীতের সেই রেকর্ডটা এবার পাল্টাতে দিল না প্রোটিয়ারা। পাঁচবারের দেখায় প্রতিবার তারা শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখল।
২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে শুরু। এরপর ২০০৯, ২০১০, ২০১৪ সালেও দক্ষিণ আফ্রিকা হারিয়েছে নিউ জিল্যান্ডকে। এবারও একই ফল। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কিউইদের হেসেখেলে ৭ উইকেটে হারিয়েছে গত বিশ্বকাপের রানার্সআপরা।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউ জিল্যান্ড ৭ উইকেটে ১৭৫ রানের পুঁজি পায়। দারুণ ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
আগের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ডাবল সুপার ওভার খেলে জিতেছিল তারা। এবার অনায়েস জয়েই হাসি ফুটল মুখে। তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতল তারা। নিউ জিল্যান্ড তৃতীয় ম্যাচে প্রথম হারের স্বাদ পেল।
৩৫৩ রানের ম্যাচ হয়েছে আহমেদাবাদের রানপ্রসবা উইকেটে। তবে উইকেট নিয়ে টসের আগে বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, দুইশর কাছাকাছি নিরাপদ স্কোর। দক্ষিণ আফ্রিকার আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নামা নিউ জিল্যান্ড সেই স্কোরের কাছাকাছিও যেতে পারেনি।
পাওয়ার প্লে’তে গুরুত্বপূর্ণ ৩ উইকেট হারায় তারা। পেসার মার্কো জানসেন একে একে সাজঘরে ফেরত পাঠান টিম সেইফার্ট (১৩), রাচিন রাভিন্দ্র (১৩) ও ফিন অ্যালেনকে (৩১) । সপ্তম ওভারে গ্লেন ফিলিপসকে (১) হারিয়ে আরো ধাক্কা খায় কিউইরা।
সেখান থেকে মার্ক চাম্পমান ও ডার্ল মিচেলের ৪৪ বলে ৭৪ রানের জুটিতে প্রতিরোধ পায় নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু থিতু হওয়ার পর যখনই রান বাড়াচ্ছিলেন দুজনই তিন ওভারের মাঝে আউট হন। তাতে আবার রানে ধীর গতি চলে আসে। চাম্পমান ২৬ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন। মিচেল ২৪ বলে ৩২ রান করেন ২ চার ও ১ ছক্কায়।
শেষ দিকে জিমি নিশাম ভরসা হয়ে উঠেন। ১৫ বলে ২৩ রান করেন ৩ বাউন্ডারিতে। তার সঙ্গে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন হ্যাট হেনরি।
শুরুতে ৩ ও পরে আরো ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন জানসেন।
লক্ষ্য তাড়ায় অধিনায়ক আইডেন মার্করাম দলকে নেতৃত্ব দেন সাবলীলভাবে। ৪৪ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলেন। যেখানে ছিল ৮ চার ও ৪ ছক্কার মার। বাকিরা কেউ ত্রিশের ঘর পেরোতে পারেননি। কুইন্টন ডি কক ২০, রায়ান রিকেলটন ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ২১ রানের দুটি ইনিংস খেলেন। মার্করামের সঙ্গে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার।
কিউইদের হয়ে ফার্গুসন, নিশাম ও রাভীন্দ্র ১টি করে উইকেট নেন।
ঢাকা/ইয়াসিন