সোরলথের ঝড়ে শেষ ষোলোয় আতলেতিকো
ইউরোপের মঞ্চে রাতটি ছিল আলেক্সান্দার সোরলথের। তার হ্যাটট্রিকের মহিমায় ক্লাব ব্রুজকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা পাকা করল আতলেতিকো মাদ্রিদ। দুই পর্ব মিলিয়ে ৭-৪ ব্যবধানের জয়ে স্প্যানিশ দলটি নিশ্চিত করল পরের ধাপ।
প্রথম লড়াই ৩-৩ সমতায় শেষ হয়েছিল। ফলে ফিরতি ম্যাচ ছিল কার্যত ফয়সালার। নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে নামে দিয়েগো সিমেওনের শিষ্যরা।
২৩ মিনিটে গোলের খাতা খোলেন সোরলথ। ইয়ান ওব্লাকের লম্বা পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুল করে বসে ব্রুজের রক্ষণভাগ। সুযোগ বুঝে সামনে এগিয়ে এসে জোরালো শটে জাল কাঁপান নরওয়ের এই ফরোয়ার্ড। বল থামাতে গিয়ে হাত ফসকে যায় অভিজ্ঞ গোলরক্ষক সিমোঁ মিনিওলের।
৩৬ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে সমতা ফেরান জোয়েল অর্ডোনেজ। মুহূর্তেই ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ে। এর ঠিক দুই মিনিট পর এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রুজ। কিন্তু হুগো ভেটলসেনের শক্তিশালী হেড অসাধারণ ডাইভে ঠেকিয়ে দেন ওব্লাক। সেই সেভই পরে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
বিরতির পর আতলেতিকো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার জনি কার্দোসোর দূরপাল্লার জোরালো শটে দুই পর্ব মিলিয়ে দল এগিয়ে যায় ৫-৪ ব্যবধানে।
শেষ ১৪ মিনিট ছিল সোরলথের ব্যক্তিগত প্রদর্শনী। ধারাবাহিক দুই গোল করে পূর্ণ করেন ত্রিমুকুট। ইউরোপের এই প্রতিযোগিতায় এটিই তার প্রথম হ্যাটট্রিক। আর সেটিই দলকে নিয়ে গেল শেষ ষোলোতে।
পরিসংখ্যান বলছে, ম্যাচে আতলেতিকো বল দখলে এগিয়ে ছিল প্রায় ৬২ শতাংশ সময়। লক্ষ্যে নেওয়া শটে এগিয়ে ৯-৪ ব্যবধানে। সোরলথ একাই নেন ৫টি শট, যার ৪টিই ছিল লক্ষ্যে।
এদিন আরেক ম্যাচে কারাবাগকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ওঠেছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। নিজেদের মাঠে ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে দুই পর্ব মিলিয়ে ৯-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দলটি। প্রথম ম্যাচে তারা জিতেছিল ৬-১ ব্যবধানে।
অন্যদিকে অলিম্পিয়াকোসের সঙ্গে গোলশূন্য সমতায় থেকেও পরের ধাপে পৌঁছে যায় বায়ার লেভারকুসেন। দুই পর্ব মিলিয়ে ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্যায়ে জায়গা করে নেয় জার্মান ক্লাবটি।
ঢাকা/আমিনুল