ফার্গুসনের কিপটে বোলিংয়ে এগিয়ে গেল নিউ জিল্যান্ড
৪-০-৯-১। নিউ জিল্যান্ডের গতিময় বোলার লকি ফার্গুসনের বোলিং ফিগার এটি। ২৪ বলের বোলিং ইনিংসে ১৭টিই ডট। নেই কোনো ওয়াইড। কোনো নো বল। এমন কিপটে বোলিংয়ে ইডেন পার্কে দক্ষিণ আফ্রিকাকে একাই ছন্নছাড়া করে দিয়েছেন ফার্গুসন।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে ১৩৬ রান করে। একের পর এক উইকেট হারিয়ে এবং দ্রুত রান তুলতে না পেরে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা ছিলেন বিবর্ণ।
জবাব দিতে নেমে নিউ জিল্যান্ড ১৬.২ ওভারে ৮ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। বিশাল এই জয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল কিউইরা। ম্যাচ সেরা হয়েছেন ফার্গুসন।
প্রোটিয়াদের অল্পে বেঁধে রাখতে নিউ জিল্যান্ডের ছয় বোলারই পেয়েছেন উইকেট। একমাত্র খরুচে ছিলেন কাইল জেমিনসন। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। বাকিরা ছিলেন ধ্রুপদী। যেখানে ফার্গুসনের কথা আলাদা করে বলতে হয়।
গতি, সুইং এবং বৈচিত্র্যের মিশেলে ডানহাতি পেস বোলার ছিলেন অনন্য। তাকে সামলানোর কোনো উত্তর জানা ছিল না কারো। তার একমাত্র সাফল্য উইয়ান মুল্ডার ৪ বল খেলে কোনো রান না করে আউট হন।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন দশে নামা নকোবানি মোকানি। ২০ বলে ২৬ রান করেন ১ চার ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া ২৩ রান আসে জর্জ লিন্ডের ব্যাট থেকে। ১৫ রানের দুটি ইনিংস খেলেন টনি ডি জর্জি ও কনর এস্টারহুইজেন।
জবাব দিতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ডেভন কনওয়ে ও টম লাথাম ৯৬ রানের জুটি গড়েন ১১ ওভারে। তাতে জয়ের ভিত পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। কনওয়ে ২৬ বলে ৩৯ রান করে ফিরলেও লাথাম তুলে নেন ফিফটি।
৫৫ বলে ৬৩ রান করেন ৭ চার ও ২ ছক্কায়। এছাড়া তিনে নেমে টিম রবিনসন ১৭ বলে ১৭ করে আউট হন। লাথামের সঙ্গে ১ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নিক কেলি।
প্রোটিয়াদের হয়ে লিতো সিম্পালা ও কেশাভ মহারাজ ১টি করে উইকেট নেন।
২২ মার্চ চতুর্থ টি-টোয়েন্টি হবে ওয়েলিংটনে।
ঢাকা/ইয়াসিন