ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ কার্তিক ১৪২৪, ২৪ অক্টোবর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

গরমে শীতল পরশ ওয়ালটন এয়ার কুলার

অগাস্টিন সুজন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৩-১৬ ৪:৪৯:১৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৩-১৬ ৫:০৮:৩৯ পিএম

অগাস্টিন সুজন : শীত শেষ। এসে গেছে গরম। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে তীব্রতা বাড়ছে গরমের। গরমে শীতল পরশ দিতে আছে প্রযুক্তির উপহার এয়ার কন্ডিশনার।

কিন্তু খরচের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকেই কুলিয়ে উঠতে পারেন না। তাই মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের জন্য দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটন নিয়ে এসেছে এয়ার কুলার। কম খরচে অসহনীয় গরমে শীতল পরশ পেতে জুড়ি নেই ওয়ালটন এয়ার কুলারের।

এয়ার কুলার মূলত একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যা ইভাপোরেটিভ পদ্ধতিতে স্বাভাবিকের থেকে কম তাপমাত্রার বাতাস দিয়ে থাকে। এটি ঘরের আর্দ্রতা সহনীয় মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে। ডিভাইসটিতে থাকে পানি বা বরফ দেওয়ার একটি পাত্র। ট্যাংক হতে পাম্পের সাহায্যে হানিকোম্ব ফিল্টারে পানি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ফিল্টার দিয়ে অতিক্রম সময় বাতাসের তাপ পানি দ্বারা শোষিত হয়। ফলে খুব সহজেই মেলে ঠাণ্ডা বাতাস।

এয়ার কুলার দামে সাশ্রয়ী। এটি পরিবেশ বান্ধব। বিদ্যুৎ  খরচ কম হয়। সাধারণ এসির চেয়ে ৭০%-৮০% কম বিদ্যুৎ খরচ করে এয়ার কুলার। ইন্সটল করারও ঝামেলা নেই। কিনে নিয়েই ব্যবহার করা যায়। এয়ার কুলার স্থানান্তরযোগ্য। এক ঘর থেকে আরেক ঘরে নেওয়া যায় সহজেই। যাদের ঘন ঘন বাসা পরিবর্তন করতে হয়, তাদের জন্য সুবিধা।

ওয়ালটন সূত্রে জানা যায়, এয়ার কুলার খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ম্যানুয়াল ছাড়াও ওয়ালটন এয়ার কুলারে রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। আছে ডিজিটাল এলইডি ডিসপ্লে প্যানেল। ওয়ালটন এয়ার কুলার হাই, মিডিয়াম, লো স্পিডে ব্যবহার করা যায়। আছে স্লিপিং মোডে ব্যবহারের সুবিধাও। পুরো ঘরে ঠাণ্ডা বাতাস ছড়িয়ে দিতে আছে সুইং অপশন।

ওয়ালটন বর্তমানে ৮ লিটার ও ৩০ লিটার পানি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি মডেলের এয়ার কুলার বাজারজাত করছে। এর মধ্যে ৮ লিটার পানি ধারণ ক্ষমতার WRA-1181 মডেলের এয়ার কুলারটি রিচার্জএবল। একবার ফুল চার্জ দিলে লো স্পিডে ৭ ঘন্টা পর্যন্ত ঠাণ্ডা বাতাস দিতে পারে। এটি চালাতে মাত্র ৬০ ওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। এতে এলইডি লাইট আছে, যা লো ও হাই পাওয়ার মোডে ব্যবহার করা যায়।| WRA-1181 মডেলের  রিচার্জএবল  এয়ার কুলারটির দাম ৭ হাজার ৯০০ টাকা।



অন্যদিকে ৩০ লিটার ধারণ ক্ষমতার WEA-S100 মডেলের ইভাপোরেটিভ নন-রিচার্জএবল এয়ার কুলারটি বেশি শক্তিসম্পন্ন। এটি ৪০০ স্কয়ার ফুট পর্যন্ত আয়তনের ঘরে ব্যবহার উপযোগী। এই এয়ারকুলারটি সেকেন্ডে ১২.৫ মিটার গতিতে ২৫ ফুট পর্যন্ত দূরত্বে বাতাস ছড়াতে পারে। এতে Ionizer function থাকায় হতে ধুলিকণা মুক্ত বাতাস পাওয়া যায়। এক থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত টাইমার সেট করা যায়। WEA-S100 মডেলের এয়ার কুলারটির পানির ট্যাংক আলাদা করা যায়। ধারণ ক্ষমতাও বেশি। ফলে একটু পর পর পানি দেওয়ার ঝামেলা নেই। প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ৮০০ মিলি পানি শোষণ করে বলে একবার ওয়াটার ট্যাংকটি পূর্ণ করলে ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত নিশ্চিন্ত থাকা যায়। পানির লেবেল ইন্ডিকেটর দেওয়া আছে। পানি কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এলার্ম বেজে ওঠে। এই মডেলটির দাম ১৪ হাজার টাকা।

ওয়ালটনের কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ার মো. বদরুদ সাহাদত জনী বলেন, এয়ার কুলারে এসির মতো ঘর ঠাণ্ডা না হলেও পানি বা বরফ ব্যবহারের মাধ্যমে ঠাণ্ডা হাওয়া পাওয়া যায়। ওয়ালটন এয়ার কুলার বাজারের অন্যান্য এয়ার কুলারের চেয়ে অধিক মানসম্পন্ন ও দামে সাশ্রয়ী।

তিনি জানান, সাশ্রয়ী দাম ও উন্নতমান, বিদ্যুৎ খরচ কম ও সহজেই স্থানান্তর করা যায় বলে ওয়ালটন এয়ার কুলারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এয়ার কুলারে অধিক সুফল পেতে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানির বদলে বরফ বা ঠাণ্ডা পানি ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, দেশের শীর্ষ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও আইসিটি পণ্য প্রস্তুতকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রাহকদের জন্য প্রতিনিয়ত বাজারে ছাড়ছে উচ্চ গুণগতমান ও অত্যাধুনিক সব গৃহস্থালী পণ্য। একইসঙ্গে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় দেশব্যাপী দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা।





রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ মার্চ ২০১৭/অগাস্টিন সুজন/সাইফ

Walton
 
   
Marcel