পানহাটি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে একটি পানহাটি (পানের বাজার) নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়তের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরিত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার পৌর শহরের ছোটশিমুলতলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুদিন ধরে পানহাটিকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে দন্দ্ব চলছিল। এর আগেও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। এরই সূত্র ধরে আজ সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ছোটশিমুলতলা এলাকার পানহাটি সংলগ্ন পলাশবাড়ি-ঘোরাঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে দুই দিকে দুই পক্ষের লোকজন অবস্থান নিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছেন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে পথচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল বলেন, “পানহাটি নিয়ে স্থানীয় একতা পান চাষি সমিতি ও জামায়াতের মেয়র প্রার্থী চানমিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। এখানে বিএনপি জড়িত নয়।”
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “আমি ঢাকায় আছি। এ বিষয়ে এখনি কিছু বলতে চাচ্ছি না।”
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফ আল রাজিব বলেন, “কয়েকদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। আজ সকালে পানহাটিতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”
এই পানহাটির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২০ মে বিএনপি ও জামায়াতের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এদিন, প্রতিপক্ষের ইটের আঘাতে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার অফিস সম্পাদক সামিউল বুকে চোট পেয়ে আহত হন এবং ৩০ মে মধ্যরাতে রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে তিনি মারা যান।
ঢাকা/মাসুম/মাসুদ