RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০ ||  কার্তিক ১৪ ১৪২৭ ||  ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কিশোরগঞ্জে এবার পূজা হবে ৩৬৮টি মণ্ডপে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৩৪, ১৮ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৪:৪৫, ১৮ অক্টোবর ২০২০
কিশোরগঞ্জে এবার পূজা হবে ৩৬৮টি মণ্ডপে

আগামী ২১ অক্টোবর দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।  পরের দিন মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার মূল আনুষ্ঠিকতা।  ঢাকের তালে তালে শুরু হবে শারদীয় উৎসব।

এ উৎসবকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ জেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে দিন-রাত কাজ করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।  উৎসবকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে এখানের মন্দিরগুলোতে চলছে ব্যাপক সাজসজ্জা।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজা হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে।  পূজাকে স্বাস্থ্যঝুঁকিমুক্ত রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। 

তবে প্রতিবছর দুর্গাপূজায় যে জাঁকজমক থাকে, এবার তা থাকছে না।  করোনা ভাইরাসের কারণে ম্লান হয়ে গেছে সেই চিরকালীন উৎসবের আমেজ।  সবখানেই চলছে অনাড়ম্বর পরিবেশে পূজা উদযাপনের আয়োজন।  এরই মধ্যে বেশিরভাগ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ।  শুরু হয়েছে রঙের প্রলেপ দেওয়া।  রঙতুলির আঁচড়ে ফুটে উঠছে দেবী দুর্গার অবয়ব।  দুর্গার সঙ্গে স্থান পাচ্ছে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গনেশের মুর্তিও।

গতবছর জেলায় ৪০৪টি মণ্ডপে পূজা হয়েছিল।  এবার করোনার কারণে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬৮টিতে।  নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উৎসবের প্রস্তুতি চলছে।  জেলা প্রশাসন ও পুলিশ দুর্গোৎসব সফল করতে দফায় দফায় বৈঠক করছেন আয়োজকদের সঙ্গে। 

বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের আয়োজকরা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়োজন শেষ করতে রাতদিন কাজ করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।

প্রতিমা শিল্পী দিলীপ পাল জানান, প্রতিমা তৈরিই আমাদের কাজ।  প্রতি বছর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করেই আমাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে চলতে হয়।  কিন্তু আগের মতো আর্থিকভাবে ভালো থাকা সম্ভব হচ্ছেনা।  এমনিতেই করোনার প্রভাব, তার ওপর প্রতিমা তৈরিতে যে সকল জিনিসপত্র ব্যবহার করা হয়, তার দামও অনেক বেশি। 

জেলা সদর কালী বাড়ি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক পলাশ দত্ত রায় জানান, দুর্গাপূজায় স্বাস্থ্যবিধির কারণে শোভাযাত্রা, প্রসাদ বিতরণ ও আরতিসহ জমকালো অনুষ্ঠান না থাকলেও পূজার ধর্মীয় পর্বগুলোর কোনো ঘাটতি থাকবে না।  তাই শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে সকল মহলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

জেলা ও পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  প্রতিটি মণ্ডপের পূজা নির্বিঘ্নে রাখতে পুলিশ, আনসার, গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হবে।

রুমন/টিপু

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়