ঢাকা     শনিবার   ০৬ জুন ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ২৩ ১৪৩৩ || ২০ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

১৫ শতক জমিতে শসা চাষে তৌহিদ লাখপতি

মো. মামুন চৌধুরী, হবিগঞ্জ  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:১০, ১৭ অক্টোবর ২০২৩  
১৫ শতক জমিতে শসা চাষে তৌহিদ লাখপতি

গ্রিন লাইন নামক হাইব্রিড জাতের শসা চাষে চমক দেখালেন তৌহিদ মিয়া। হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় হাফিজপুর গ্রামে প্রথমবার এই জাতের শসা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন তিনি। গ্রীষ্মকালীন এ জাতের শসা চাষে তিনি ব্যবহার করেছেন মালচিং পদ্ধতি ও জৈব বালাইনাশক। মাত্র ১৫ শতক জমিতে ১০ হাজার টাকা ব্যয় করে এ পর্যন্ত তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভ করেছেন। বাকি সময়ে আরও ৩০ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন ওই কৃষক। তার এই সফলতা দেখে অনেকে আগ্রহী হয়ে শুরু করেছেন শসা চাষ। তার কাছ থেকে নিচ্ছেন চাষের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ।

দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীমুল হক শামীমের পরামর্শে হাফিজপুর গ্রামের কৃষক তৌহিদ মিয়া ওই পরিমাণ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে গ্রিন লাইন জাতের শসা চাষের উদ্যোগ নেন। জমিতে বীজ রোপণ করেন। কিছু দিনের মধ্যে প্রায় ২ হাজার চারা গজায়। চারাগুলোর ওপর বাঁশ ও জাল দিয়ে তৈরি মাঁচানে লতাপাতা বিস্তার করতে শুরু করে। রোপণ করার ৩৬ দিনের মধ্যেই মাঁচায় ঝুঁলছে শসা আর শসা। গাছ থেকে সংগ্রহ করে প্রতি কেজি শসা ৬০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আরও প্রায় ১৫ দিন পর্যন্ত গাছ থেকে শসা সংগ্রহ করা যাবে।

আরো পড়ুন:

কৃষক তৌহিদ মিয়া বলেন, ‘উপজেলার দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীমুল হক শামীম স্যার আমাকে সাহস ও পরামর্শ দিয়েছেন। আমি জমি আবাদ করে কঠোর শ্রম দিয়েছি। মাত্র ১৫ শতক জমিতে শসা চাষ করে চমৎকার ফলন পেয়েছি। আগামী মৌসুমে আরও বেশি পরিমাণে জমি আবাদ করে শসার চাষ করার ইচ্ছে রয়েছে। আমার ন্যায় এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও শসা চাষে আগ্রহ বেড়েছে।’

স্থানীয়রা বলেন, ‘গ্রিন লাইন জাতের শসা আমাদের এলাকায় নতুন। তৌহিদ মিয়ার শসা চাষ দেখে আমাদেরও আগ্রহ বেড়েছে। আগামী মৌসুমে আমরাও অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি শসা চাষ করব।’ 

উপজেলার দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীমুল হক শামীম বলেন, ‘শসা চাষের ব্যাপারে তৌহিদ মিয়াকে সকল ধরণের পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছি। আরও যারা শসা চাষ করতে চান আমরা তাদেরকেও পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।’  
 

/বকুল/

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়