পুলিশকে কুপিয়ে আসামি ছিনতাই: বাবা-ভাইসহ ৭ আসামি কারাগারে
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসার সময় পুলিশকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনিয়ে নেওয়ায় ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ময়মনসিংহে এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসার সময় পুলিশকে কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনিয়ে নেওয়ায় ঘটনায় মামলা হয়েছে।
এ মামলায় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত ছিনিয়ে নেওয়া আসামি আরিফুল ইসলামের (২৬) বাবাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব জানান, পুলিশের ওপর আক্রমণের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গ্রেপ্তাররা হলেন, পুলিশের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া ছিনিয়ে নেওয়া আসামির বাবা সাগর আলী (৫০), সাগর আলীর আরেক ছেলে এ কে এম রেজাউল করিম (৩৫), সুজন মিয়া (২৭), নাজিম উদ্দিন (৩৭), মো. জয়নাল উদ্দিন (৪২), মো. খলিলুর রহমান (৪০) ও মো. নাজিম উদ্দিন (৪২)। তাঁরা সবাই দিঘারকান্দা এলাকার বাসিন্দা।
গত ১০ জানুয়ারি দুপুরে মো. রাসেল নামের স্থানীয় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ ওঠে আরিফুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। রাসেল বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় ১১ জানুয়ারি একটি মামলা করে আহত রাসেলের পরিবার। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ফরিদ আহমদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল দিগারকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তাকে নিয়ে আসার সময় আরিফুলের বাবা সাগর আলীর নেতৃত্বে শতাধিক লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি আঘাত করে আরিফুলকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নিয়ে যায় তাঁরা।
হামলার ঘটনায় ওই দিন রাতে কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত পরিচয়ে ১৪০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
ঢাকা/মিলন/বকুল