ঢাকা     বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ১৮ ১৪৩২ || ১২ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

গোপালগঞ্জে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:২৯, ১ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ০৯:৩৫, ১ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ফাইল ফটো

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিন সন্তানের মাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আদালতে দুইজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

কাশিয়ানী উপজেলার গোপালপুর বাজারের ‘কুটুমবাড়ি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

আরো পড়ুন:

আসামিরা হলেন-‘কুটুমবাড়ি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’র মালিক ও উপজেলার গোপালপুর গ্রামের সিদ্দিক মোল্যার ছেলে মজনু মোল্যা (৪০) ও পোনা গ্রামর হিরু মোল্যার ছেলে রাকিব মোল্যা (৩৩)।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সজীব সরদার মামলা দায়েরের তথ্য জানান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাকিব মোল্লা এবং ভুক্তভোগী নারী উভয়ই ‘কুটুমবাড়ি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাকিব বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় গত ১৪ মার্চ রুম পরিষ্কার করার কথা বলে কৌশলে ওই নারীকে হোটেলের একটি  কক্ষে ডেকে নিয়ে যান রাকিব। সেখানে হোটেলের মালিক মজনু মোল্যার সহযোগিতায় রাকিব ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। 

ঘটনাটি জানাজানি হলে লোকলজ্জা ও সামাজিক অপমানের ভয়ে ভুক্তভোগী গুলপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর অবস্থায় হোটেলের মালিক মজনু মোল্যা নিজেই তাকে উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার ‘পাকস্থলী পরিষ্কার’ (ওয়াশ) করানো হয়। সুস্থ হওয়ার পর ভুক্তভোগী নারী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সজীব সরদার বলেন, ‍“রবিবার (২৯ মার্চ) মামলাটি দায়ের হয়েছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন।”

ঘটনার বিষয় অভিযুক্ত মজনু ও রাকিবের সঙ্গে কথা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা জানান, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, “আদালতের নির্দেশের কপি আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। নথি হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঢাকা/বাদল/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়