ঢাকা     রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২৩ ১৪৩২ || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান শুরু

কক্সবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২৮, ৫ এপ্রিল ২০২৬  
কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান শুরু

মহেশখালী ও রামু উপজেলায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান শুরু হয়েছে।

কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

আরো পড়ুন:

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে, যাতে রোগটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে না পড়ে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সব জেলায় তা সম্প্রসারণ করা হবে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনে হামজনিত শিশুমৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, রামু ও মহেশখালী উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে। 

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, “কক্সবাজারে শনিবার (৪ এপ্রিল) একদিনেই হামে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ২৫ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৪২ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় রামু উপজেলার রাজিয়া নামে এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ নিয়ে জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।”

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৭৫ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ২৫ জন এবং ভর্তি হয়েছে ২১ জন। গত এক সপ্তাহে জেলায় মোট ১৩২ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

এছাড়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত জেলা সদর হাসপাতালে ৯৩ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে এবং এ সময়ে জেলায় হাম-রুবেলায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিংঞোসহ স্বাস্থ্য বিভাগ, পৌরসভা, ইউনিসেফ এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

ঢাকা/তারেকুর/বকুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়