রাজশাহীতে আ.লীগ কার্যালয়ে জেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড
রাজশাহী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
রাজশাহী মহানগরীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ মহানগর আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত ও ভাঙা দলীয় কার্যালয়ের জায়গায় সাইনবোর্ড টানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
রাজশাহী মহানগরীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ মহানগর আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত ও ভাঙা দলীয় কার্যালয়ের জায়গায় এবার সাইনবোর্ড টানিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সাইনবোর্ড টানানো হয়। জায়গাটি ‘অর্পিত সম্পত্তি’ বলে সাইনবোর্ডটি টানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের টানানো সাইনবোর্ডে জায়গাটিকে ‘ক’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি (ভেস্টেড অ্যান্ড নন-রেসিডেন্ট প্রপার্টি) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এই সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও কালেক্টর।
জেলা প্রশাসনের টানানো ওই সাইনবোর্ডে উল্লিখিত তফসিল অনুযায়ী সম্পত্তিটির বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কুমারপাড়ায় অবস্থিত মহানগর আওয়ামী লীগের ওই পরিত্যক্ত জায়গাটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে জেলা প্রশাসনের প্রকাশ্য নিয়ন্ত্রণে এলো।
এর আগে জায়গাটিতে মালিকানার সাইনবোর্ড টানিয়ে ছিলেন ডা. দুর্জয় মৈত্র। তার মা অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্য দাবি করেন, আদালতে মামলা লড়াইয়ে তিনি রায় পেয়েছেন। সেই সূত্রে ওই জমির মালিক তার ছেলে ডা. দুর্জয় মৈত্র। তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।
তিনি আরো বলেন, আদালতের রায় থাকার পরও জেলা প্রশাসন যে সাইনবোর্ড টানিয়েছে, সেটি আদালতের আদেশ অমান্য। তিনি এ নিয়ে আদালতে যাবেন।
বোয়ালিয়া সহকারি কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে যারা দেশ ত্যাগ করেছেন, তাদের ফেলে যাওয়া জমি বর্তমানে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০১২ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী এই জমি এখন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন, যা পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি যদি এই জমির মালিকানা দাবি করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই আদালতের রায় নিয়ে আসতে হবে। এই সম্পত্তি সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক এটার ম্যানেজমেন্টে আছেন।
ঢাকা/মাহী/বকুল
তনু হত্যার তদন্তে মোড়, সন্দেহভাজন ৩ জনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ