ঢাকা     শনিবার   ২৩ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪৩৩ || ৬ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: প্রতিমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:১৫, ২৩ মে ২০২৬   আপডেট: ০৯:১৬, ২৩ মে ২০২৬
ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই: প্রতিমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, ‍“ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর এবং এ ব্যাপারে বাস্তবতার নিরিখে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই কাজ শেষে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

​শুক্রবার (২২ মে) বিকেল ৫টায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রসলুপুর খেয়াঘাট এলাকায় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আরো পড়ুন:

​হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, “আজকে স্থানীয় সংসদ সদস্য আমাদের সবাইকে এখানে নিয়ে এসেছেন, তিনি জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চান। আমরাও চাই তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে। বাস্তবতার আলোকে সবকিছু যাচাই-বাছাই করা হবে এবং এখানে ফান্ডিং-এর ব্যাপারে আছে। গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকারের আন্তরিকতার কমতি নেই। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করছি।”

​তিনি বলেন, “২০০২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই নদীর ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে, আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি কর্তৃক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এরকম অনেক প্রকল্পই বাস্তবায়ন করেনি। জনগণের ভোটে পুনরায় বিএনপি সরকার গঠন করেছে। অল্প সময়ের ভেতরে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক ও জনপদের প্রধান প্রকৌশলীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা একটি জায়গায় ছোট একটি ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে এসেছেন। আপনাদের বুঝতে হবে উনাদের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই।”

২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী এই স্থানে সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর দুই যুগ অতিবাহিত হলেও সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। বর্তমানে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের খবরে আশার আলো দেখছেন গজারিয়ার দুইটি ইউনিয়নের অন্তত ত্রিশ হাজার মানুষ।

​পরিদর্শনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা.হামিদা মুস্তফাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

ঢাকা/রতন/মাসুদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়