ঢাকা     সোমবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৬ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে দুই দিনব্যাপী অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ 

নিউজ ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৪২, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  
ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে দুই দিনব্যাপী অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ 

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ সব সময় কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ ও শ্রমবিধি-২০১৫ (বিধি-৫৫, উপ-বিধি ১০ ও ১২) এর নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত আয়োজন হিসেবে এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি (ইএইচএস) বিভাগের ফায়ার সেফটি ম্যানেজমেন্ট সেকশনের মাধ্যমে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টারে দুই দিনব্যাপী ‘অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা’শীর্ষক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

উক্ত প্রশিক্ষণটি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী  এবং এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি (ইএইচএস) বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজুর শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়।

আরো পড়ুন:

প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের প্রশিক্ষক মো. ইস্তিয়াক হোসেন। এছাড়াও ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল আওয়াল আলমসহ কালিয়াকৈর, গাজীপুর ফায়ার স্টেশনের অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও ব্যবহারিক অনুশীলন পরিচালনা করেন।

প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য
কর্মশালায় মূলত কর্মক্ষেত্রে অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আলোচনায় উঠে আসে আগুনের ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ, আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ ও কর্মীদের সুরক্ষা, প্রযোজ্য আইন ও প্রবিধান মেনে চলা, নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলা, মনোবল ও দলগত প্রতিক্রিয়ায় দক্ষতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়।

অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া প্রদানের কৌশল শেখানো হয়। এ সময় অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে বাস্তব অনুশীলন করানো হয়।

ফেব্রুয়ারি মাসের শুষ্ক আবহাওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাকে স্বাভাবিকের তুলনায় আরো বৃদ্ধি করে। এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়, চারপাশের পরিবেশ শুকিয়ে ওঠে এবং অল্প স্পার্কও দ্রুত বড় অগ্নিকাণ্ডে রূপ নিতে পারে। তাই, ফেব্রুয়ারিকে অগ্নি-সতর্কতার বিশেষ সময় হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এ মাসে ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতি সচল অবস্থায় ফেলে রাখা, অসাবধানভাবে খোলা আগুন ব্যবহার, দাহ্য বর্জ্য জমে থাকা বা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা যন্ত্র অচল থাকা—এসবই গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিজের, পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার স্বার্থে সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে।

ফেব্রুয়ারি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সতর্কতা কখনোই শিথিল করা যাবে না। অগ্নিনিরাপত্তা শুধু একটি নিয়ম নয়; এটি দায়িত্ব, অভ্যাস এবং সবার সম্মিলিত সচেতনতার প্রতিফলন।

ওয়ালটনের প্রতিশ্রুতি
ওয়ালটন সর্বদা বিশ্বাস করে যে, সচেতনতা ও প্রস্তুতিই নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও মহড়া দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ঢাকা/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়