বড় উত্থানে ইতিবাচক প্রবণতায় ফিরেছে পুঁজিবাজার
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১ এপ্রিল) সূচকের বড় উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন বাড়লেও সিএসইতে কমেছে। তবে, উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।
বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। তবে বুধবার সকাল থেকেই সূচকে উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৯৪.৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৭২.৭৯ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২.২৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৫.৪৫ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ৪১.৬২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১.৬৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৩২৭টি কোম্পানির, কমেছে ৩৯টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৫টির।
এদিন ডিএসইতে মোট ৭১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৮৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১১৮.০৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯ হাজার ২১.৭২ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০০.৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৭৭৯.২৪ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৭.২০ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯৭.৭১ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ১৯৭.৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৯১৮.৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে মোট ২০০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১৩৩টি কোম্পানির, কমেছে ৪৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৪টির।
দিন শেষে সিএসইতে ৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
ঢাকা/এনটি//
রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় বিশেষ ছাড় পেতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ বাংলাদেশের