ইরানে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের কয়েকটি ‘বিতর্কিত’ দাবি
|| রাইজিংবিডি.কম
ইরানে হামলার কারণ হিসেবে কয়েকটি বিতর্কিত দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলার দায় যেমন নিজের কাঁধে নিয়েছেন, তেমনি পেন্টাগনের তথ্যকে উড়িয়ে দিয়ে আবার বলেছেন, ইরান আগে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার পরিকল্পনা করেছিল।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। পরে তারা সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েল চাপ সৃষ্টি করেছিল কি না। এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “না, বরং আমিই হয়তো তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছি।”
ট্রাম্প দাবি করেন, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে চলা আলোচনার গতিপথ তাকে বিশ্বাস করিয়েছে যে, ইরানই যুক্তরাষ্ট্রে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলেছে, ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের হামলার প্রস্তুতি সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে ইরানের সাবেক শাহের ছেলে রেজা পালহভীর প্রসঙ্গ আসে। পাহলভি নিজেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র পতন হলে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত বিরোধী নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
তবে ট্রাম্প এই প্রসঙ্গকে গুরুত্ব না দিয়ে বলেন, “দেশের ভেতর থেকেই কেউ নেতৃত্ব দিলে তা বেশি উপযুক্ত হবে।”
ট্রাম্প আরো বলেন, তার প্রশাসনের সামরিক অভিযান শেষ হলেই তেলের দাম কমে আসবে বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন।
ওয়াশিংটনের দূতাবাসগুলো সরিয়ে নেওয়া বা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার পরিকল্পনা কেন ছিল না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ হামলার পরিণতি সম্পর্কে তার কাছে তথ্য ছিল সামান্যই।
সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় মিত্রদের বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিষয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ঢাকা/রাসেল