ঢাকা     রোববার   ০৩ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২০ ১৪৩৩ || ১৫ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের কাছে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:২৫, ৩ মে ২০২৬   আপডেট: ১১:২৬, ৩ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের কাছে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জরুরি অবস্থার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে কংগ্রেসের পর্যালোচনা ছাড়াই এই বিশাল অস্ত্র বিক্রির পথ প্রশস্ত করেছেন।

রবিবার (৩ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা। 

আরো পড়ুন:

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলো ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখোমুখি হচ্ছে। এতে তাদের মার্কিন অস্ত্রের মজুদ ফুরিয়ে আসছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই অস্ত্র বিক্রির বড় অংশীদার হচ্ছে ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর আওতায় ইসরায়েল ৯৯২ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে পাচ্ছে উন্নত প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম (এপিকেডাব্লিউএস)। কাতার আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে ৫ বিলিয়ন ডলারে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের মজুদ বাড়াবে। কুয়েত ২.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কিনছে উন্নত ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম ও রাডার প্রযুক্তি। সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের এপিকেডাব্লিউএস সংগ্রহের অনুমতি পেয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা এই অস্ত্র বিক্রির প্রয়োজনীয়তার স্বপক্ষে ‘বিস্তারিত যৌক্তিকতা’ প্রদান করেছে। তারা একে ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থে’ একটি জরুরি অবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা অস্ত্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতাভুক্ত কংগ্রেসনাল পর্যালোচনা প্রক্রিয়াকে এড়িয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

এর আগে গত মার্চ মাসেও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং জর্ডানের কাছে আরো ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। সেই চুক্তিতে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার সিস্টেম এবং আমিরাতের জন্য এফ-১৬ যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়