Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

প্রেসক্লাবে সৈয়দ আবুল মকসুদের জানাজা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫৮, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৯:৪৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

সাংবাদিক, গবেষক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের দ্বিতীয় জানাজা বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এ সময় জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নেতা ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানাজার পর সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তার কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

জানাজার আগে সৈয়দ আবুল মকসুদের স্মৃতিচারণ করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ ছিলেন বৈষম্য বিরোধী, অত্যাচার, নির্যাতন নিপিড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি কণ্ঠ।  তার রেখে যাওয়া কর্ম আমাদের অনুপ্রেরণা ও অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে।

সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ কেমন ছিলেন, কেন ছিল তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তা তার পোশাকে প্রমাণ দিয়েছেন।  সেই ইরাক  যুদ্ধে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তিনি সেলাই বিহীন সাদা কাপড় পরেছেন। আজ সেই সাদা কাপড়েই বিদায় নিয়েছেন। তার বিদায়ে যে ক্ষতি হয়েছে- তা কখনো পূরণ হবার নয়।

আবুল মকসুদের ছেলে সৈয়দ নাসিফ মকসুদ বলেন, বাবা আমার জন্য অনুপ্রেরণা।  তিনি সারাজীবন মানবকল্যাণে কাজ করেছেন।

জানাজা শেষে সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ ছিলেন দলমত নির্বিশেষে একজন গ্রহণযোগ্য মানুষ।  জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে তিনি তার লেখনির মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন। ইরাকে মার্কিন হামলার প্রতিবাদে তিনি সাদা কাপড় পরেছেন। এমনকি দেশের মধ্যে কোন সংকট তৈরি হলে তিনি তার লেখনির মাধ্যমে পথ দেখিয়েছেন। তিনি ছিলেন জাতির সম্পদ।

শিশির/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে