ঢাকা     রোববার   ১০ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৭ ১৪৩৩ || ২৩ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ইজতেমায় র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল

হাসমত || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৭:১৯, ২৩ জানুয়ারি ২০১৪   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
ইজতেমায় র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল

র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল

জেলা প্রতিবেদক
গাজীপুর, ২৩ জানুয়ারি: বিশ্ব ইজতেমার নিরাপত্তা পরিস্থিতি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শুক্রবার সকাল থেকে বিশ্ব ইজতেমার ৪৯তম আসর টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হবে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার উইং কমান্ডার হাবিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত র‌্যাবের একটি টহল দল হেলিকপ্টারে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।

ইজতেমাকে সফল করতে তাবলীগ জামায়াতের হাজার হাজার সমর্থকদের পাশাপাশি ময়দান জুড়ে থাকছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পবিত্র মক্কা শরিফে হজ পালনের পর বিশ্ব ইজতেমা মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিলন মেলা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখো লাখো মুসলমান মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় এ জমায়েতে উপস্থিত হবেন।

স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় দুইভাগে পর্বে অনুষ্ঠিত হবে এ জমায়েত। শুক্রবার ফজরের নামাজ শেষে বয়ানের মাধ্যমে এ ইজতেমার প্রথম দফা শুরু হয়ে রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

৩১ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপ। ২ ফেব্রুয়ারি আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটবে।

এ বছর প্রথম ধাপে দেশের ৩২টি জেলার মুসল্লিরা প্রথম পর্বের ইজতেমায় আসবেন। তারা ৪০টি খিত্তায় অবস্থান নেবেন। এর মধ্যে গাজীপুরের জন্য ১ ও ২ নং খিত্তা, ঢাকার জন্য ৩ থেকে ১২ নং খিত্তা, সিরাজগঞ্জের জন্য ১৩, ফরিদপুরে জন্য ১৪, নরসিংদীর জন্য ১৫, কিশোরগঞ্জের জন্য ১৬, রাজবাড়ীর জন্য ১৭, শরীয়তপুরের জন্য ১৮, নাটোরের জন্য ১৯, শেরপুরের জন্য ২০, দিনাজপুরের জন্য ২১, হবিগঞ্জের জন্য ২২, রংপুরের জন্য ২৩, লালমনিরহাটের জন্য ২৪, গাইবান্ধার জন্য ২৫, জয়পুরহাটের জন্য ২৬, রাজশাহীর জন্য ২৭, সিলেটের জন্য ২৮, চাঁদপুরের জন্য ২৯, ফেনীর জন্য ৩০, চট্টগ্রামের জন্য ৩১, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির জন্য ৩২, বাগেরহাটের জন্য ৩৩, কুষ্টিয়ার জন্য ৩৪, নড়াইলের জন্য ৩৫, চুয়াডাঙ্গার জন্য ৩৬ নং খিত্তা, যশোরের জন্য ৩৭ নং খিত্তা, ভোলার জন্য ৩৮ খিত্তা, বরগুনা ও ঝালকাঠির জন্য যথাক্রমে ৩৯ নং এবং ৪০ নং খিত্তা বরাদ্ধ রাখা হয়েছে।

ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২০ হাজারের অধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য ১৪টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে।

তাছাড়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য পৃথক কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠ জুড়ে ৬০টির মতো সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের জন্য মাঠের উত্তরপাশে স্বাস্থ্যসেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের জন্য ৪৪টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে স্টল নির্মাণ করা হয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়া মুসল্লিদের দ্রুত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে অনেকগুলো বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স।

১৯৬৭ সালে টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম বিশ্ব ইজতেমা। সেই থেকে প্রতিবছর জমায়েত হচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। ১৬০ একর ময়দানে স্থান সংকুলন না হওয়ায় বিগত কয়েক বছর এটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

রাইজিংবিডি / হাসমত / বকুল

 

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়