মন্ত্রিসভার সদস্যদের ৫০টি গাড়ি সংসদ ভবনের পথে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত করা গাড়ি।
নতুন মন্ত্রিসভার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত ৫০টি সরকারি গাড়ি জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫মিনিটের দিকে গাড়িগুলো সচিবালয় থেকে যাত্রা শুরু করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে এসব গাড়িতে করেই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিজ নিজ বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতিটি গাড়ির সঙ্গে একজন করে লিয়াজোঁ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
গাড়ির তালিকায় রয়েছে ৩৩টি টয়োটা ক্যামরি ও ১৭টি মিৎসুবিশি ল্যান্সার। শপথ অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের বহনকারী একাধিক মাইক্রোবাসও দুপুর ১২টার পর সচিবালয় থেকে সংসদ ভবনের দিকে রওনা দেয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই সরকারি পরিবহন পুল থেকে গাড়িগুলো সচিবালয়ে আসতে শুরু করে। পরিবহন পুলের কর্মকর্তারা জানান, মোট ৬৮টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রথম দফায় ৪৫টি গাড়ি সচিবালয়ে আনা হয়, পরে আরও কয়েকটি গাড়ি যোগ করা হয়।
আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর, আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রথমে বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা শপথ গ্রহণ করেন। এরপরই জামায়াতের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার কথা ছিল। বিএনপির নির্বাচত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি বৈঠকে বসেন। পরে সংশয় কাটিয়ে শপথ নেন জামায়াতের নির্বাচিত প্রার্থীরা।
এসময় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত এমপি রুমিন ফারহানা। দেরিতে আসায় ইশরাক হোসেন জামায়াত এমপিদের সঙ্গে শপথ নেন। তবে তিনিও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। প্রথম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হলে তারা সভাস্থল ত্যাগ করেন।
দুপুর ১টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জয়ী প্রার্থীরা।