চট্টগ্রামে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৫, বাকি ৪ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক
মেডিকেল প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
চট্টগ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন আরো চারজন।
চট্টগ্রামে হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আশুরা আক্তার পাখি (৩০) ও সাখাওয়াত হোসাইন (৪৯) নামে আরো দুজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাখাওয়াত হোসাইন মারা যান। এর আগে রাত পৌনে ১২টার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাখি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার শাওন বিন রহমান জানান, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাখি ও সাখাওয়াত হোসাইন মারা জান। তাদের শরীরে ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এ ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এর আগে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে পাখির স্বামী সামির আহমেদ (৪০) মারা যান। একইদিন সকাল ৭টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সামিরের ভাতিজা শাওন (১৭) মারা যায়।
সোমবার গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ নয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার পথে শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) মারা যান।
সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় হালিশহর এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায়। তারপর শরীরে আগুন নিয়ে ঘর থেকে একে একে সবাই বের হয়ে আসেন বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ নয়জন দগ্ধ হন; তারা সে সময় সেহরি করছিলেন।
এ ঘটনায় এখনও সাখাওয়াতের আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা (১০), তার ছোটভাই সামিরের দুই সন্তান আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ আনাছ (৬), সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন (৩১) দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢাকা/বুলবুল/ইভা