ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৪ ১৪৩২ || ৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন: নৌমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:১৩, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৭:১৪, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন: নৌমন্ত্রী

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং সেবার মান নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এছাড়া, ঈদ উপলক্ষে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন:

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নৌপরিবহন মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নৌমন্ত্রী জানান, কোনো নৌযানই ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করতে পারবে না। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, ভাড়া বাড়ানো কিংবা টিকিট সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি যাত্রীবাহী নৌযানে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া ও অগ্নি-নির্বাপণ সরঞ্জাম রাখাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নৌপথে নাব্যতা সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটগুলোতে প্রয়োজনীয় বয়া, মার্কার ও সিগন্যাল লাইট স্থাপন করা হয়েছে। রাতের বেলায় অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল বন্ধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

রাজধানীর সদরঘাটসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরগুলোতে যাত্রী হয়রানির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ঘাট এলাকায় চাঁদাবাজি, দালালচক্র বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে ঘাটসংলগ্ন সড়কে যানজট নিরসনে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যাতে যাত্রীবাহী নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, ঈদের আগে ও পরে মোট পাঁচ দিন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া (বাল্কহেড) হয়েছে বলেও জানান নৌমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “সকলকে নিয়মের আওতায় এনে একটি নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও দুর্ঘটনামুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে যাত্রী, লঞ্চমালিক ও শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।”

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরগুলোতে নিয়ন্ত্রণকক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু থাকবে এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং জোরদার করা হবে। সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটকে প্রয়োজনীয় সেবা ও তদারকি কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা/আসাদ/জান্নাত

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়