অফিসে শৃঙ্খলা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১১ নির্দেশনা
সরকারি অফিসে শৃঙ্খলা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে নতুন করে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে নির্ধারিত সময়ে অফিসে অবস্থান নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ অপচয় রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি মানা হচ্ছে না। এ কারণে নতুন করে আরো কঠোরভাবে নির্দেশনা প্রতিপালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা
১. প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কার্যক্রম যেন এ সময়ের মধ্যে বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমাতে হবে এবং জানালা-দরজা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
৩. অফিস চলাকালীন শুধু প্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।
৪. এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে।
৫. অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় সব ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি) বন্ধ করতে হবে।
৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
৭. অফিস সময় শেষে কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৮. সরকারি নির্দেশনা ছাড়া কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
৯. জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং অপচয় রোধ করতে হবে।
১০. অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট ও সিঁড়িসহ সব স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
১১. এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও মনিটরিংয়ের জন্য প্রতিটি দপ্তর ও সংস্থায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে।
সরকার মনে করছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে এসব নির্দেশনা কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা/এএএম/রফিক
ফেরি পারাপারে ঝুঁকি কমাতে এখন থেকে কোনো বাস সরাসরি যাত্রীসহ ফেরিতে উঠতে পারবে না: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী