জ্বালানি তেল না পেয়ে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ
রাঙামাটি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
রাঙামাটিতে জ্বালানি তেল সংকট দিন দিন আরো প্রকট হচ্ছে। তেল সরবরাহের জন্য স্থানীয় প্রশাসন থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে রুটিন করে দেওয়ার পরও কমছে না গ্রাহক হয়রানি। বরং, দীর্ঘ দুই-তিন ঘণ্টা লাইন দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোটরসাইকেল দিয়ে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম অবরোধ করেছেন অর্ধশত মোটরসাইকেল আরোহী।
পুলিশ জানিয়েছে, রাঙামাটি শহরের রাজবাড়ি এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে সড়ক অবরোধ করা হয়। এ সময় তারা বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদেরকে বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধকালীন দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এসময় সিএনজি অটোরিকশার চালক ও বাইকারদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
বাইক রাইডার রাহুল চাকমা বলেছেন, “প্রতিদিন বাইক রাইড করে পণ্য ডেলিভারি করতে হয়। যে পরিমাণ তেল দেয়, তাতে হয় না।”
তিনি আরো বলেন, “সকাল ৭টায় লাইনে দাঁড়িয়েছি। ১১টায় তেল দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় তেল পাইনি। প্রতিদিন কী পরিমাণ এবং কতজনকে তেল দেবে, এটা আগে জানিয়ে দিলে আমাদের লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হতো না।”
মেসার্স এসএন পেট্রোলিয়াম এজেন্সি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. ছিদ্দিক বলেছেন, “আজ (শনিবার) ১ হাজার গাড়িতে ৫০০ টাকা করে অকটেন দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা মতো আমরা জ্বালানি দিচ্ছি। তারপরও অনেকে তেল পাননি।”
এ বিষয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেছেন, “শহরের রাজবাড়ি এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের সমানে ফুয়েলের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিল। পাম্পে থাকা আমাদের সদস্যরা তাদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। আমাদের কিলো টিমও ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।”
জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে গঠিত ভিজিল্যান্স টিমের জেলা আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাসিস্ট্রেট নিশাত শারমিন বলেছেন, “জ্বালানি তেল সরবরাহে শৃঙ্খলা আনার জন্য তিন দিন ডিজেল ও তিন দিন অকটেন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে হিসেবে এক সপ্তাহ ধরে তেল দেওয়া হচ্ছে। এতে তেল সরবরাহে শৃঙ্খলা এসেছে। যেসব সমস্যা আমরা জানতে পারছি, সেগুলোও সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”
ঢাকা/শংকর/রফিক
২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ৭৮৭, সন্দেহজনক মৃত্যু ৪