সংরক্ষিত নারী আসন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট বৃহস্পতিবার
রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, তাদের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে এ তথ্য জানান নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
তিনি বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। শূন্য পদের বিপরীতে সমসংখ্যক বৈধ প্রার্থী থাকায় আইন অনুযায়ী তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।”
ইসি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের একজন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত এসব সদস্যদের নামসহ গেজেট প্রকাশের পর তা সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে এবং তারা শপথ নিয়ে সংসদের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।
রিটার্নিং অফিসার জানান, একজন প্রার্থীর বিষয়ে আদালতে আপিলের তথ্য এখনো ইসির কাছে পৌঁছেনি। তবে আরেক প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম আদালতের রায়ের কপি জমা দিয়েছেন, যা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। এ প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে কোনো আসন শূন্য থাকলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ২১ এপ্রিল। ৫০টি আসনের বিপরীতে ৫৩টি মনোনয়ন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে চার জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ২৯ এপ্রিল বিকেল ৪টা।
প্রতি আসনের বিপরীতে একজন করে প্রার্থী থাকায় নির্ধারিত ১২ মে ভোটগ্রহণ আর হচ্ছে না। ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সম্পন্ন হলো।
এদিকে, এনসিপির প্রার্থী মনিরা শারমিন সরকারি চাকরি ছাড়ার নির্ধারিত সময়সীমা পূরণ না করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। অন্যদিকে, নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে তা গৃহীত না হওয়ায় নুসরাত তাবাসসুম হাইকোর্টে গেলে আদালত তার আবেদন গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় কী হবে, তা নির্বাচন কমিশন পরে জানাবে।
ঢাকা/এমএসবি/এসবি
পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী